সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংশোধিত হচ্ছে সাইবার আইন, গুজব-মানহানিতে থাকবে কঠোর শাস্তি এনসিটিবি ও ৫ শিক্ষা বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ ইরান-ইসরায়েলকে পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের স্থানীয় ভোটের বিধিমালা চূড়ান্তের আগে দলগুলোর মতামত নেবে ইসি বেতন ছাড়ের দাবিতে আমরণ অনশনে ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয়

নুরের সমর্থকদের সাথে ছাত্রলীগের হাতাহাতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নুরের সমর্থকদের সাথে ছাত্রলীগের হাতাহাতি ও ধাওয়া হয়েছে। মহান বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নূরুল হক নুরের সমর্থকদের সাথে ছাত্রলীগের এ হাতাহাতি ও ধাওয়া হয়। বুধবার সকাল ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের ফারুকী পার্কের স্মৃতিসৌধ এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এতে সংগঠনের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতারা।

জানা যায়, সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে ভিপি নুরের সমর্থকরা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান। ওই সময় তাদেরকে জামায়াত-শিবিরকর্মী বলে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা দেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ও তার কর্মীরা। পরে ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের ধাওয়া করে। ওই সময় ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের সাথে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্মৃতিসৌধ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ নেতাকর্মীদের হাত থেকে জাতীয় পতাকা ছিনিয়ে নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করেছে বলে জানা যায়।

ছাত্র অধিকার পরিষদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়া বলেন, ‘আমরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ জন স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। ছাত্রলীগ নেতারা আমাদের বাধা দিয়ে বলে, মাত্র চার থেকে পাঁচজনকে নিয়ে স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে হবে। আমরা তাদের কথামতো কয়েকজন মিলে ফুল দিয়ে স্মৃতিসৌধ থেকে বের হয়ে যাই। পরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর হঠাৎ হামলা করে। এতে আমাদের জেলা কমিটির সভাপতি আশরাফুল হাসানসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।’

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ‘ছাত্র অধিকার পরিষদের সাথে আমাদের কোনো হাতাহাতি বা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তারা স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়েছিল। ওই সময় তারা স্মৃতিসৌধে উস্কানিমূলক কথা বলে পরিবেশ নষ্ট করেন। পরে উপস্থিত লোকজন তাদের বিতাড়িত করে দেয়। তবে আমরা ওই স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, ‘স্মৃতিসৌধের ভেতরে কিছু হয়নি। তবে বাইরে কিছু হয়েছে কিনা সেটি বলতে পারব না।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ