সা্জাদ হুসাইন:
তুরস্কের ওপর ইইউ কর্তৃক গ্রিসের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল। এর মধ্য দিয়ে ন্যাটো জোটের মধ্যে বার্লিনের কৌশলগত প্রতিশ্রুতি বজায় থাকলো বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
গতকাল শুক্রবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, তিনি এই বৈঠকের ফলাফল নিয়ে খুশি এবং তুর্কি-ইইউ সম্পর্ক নিয়ে সিদ্ধান্তগুলোও সঠিক।
জার্মানি তুরস্কের কাছে ২১৪ শ্রেণির সাবমেরিনের অস্ত্র বিক্রি এবং সরবরাহ বন্ধ করার বিষয়ে গ্রিসের অনুরোধ সম্পর্কে তিনি বলেন, তাদের (গ্রিস) উচিত ন্যাটো জোটের মধ্যে কৌশলগত নির্ভরতার সম্পর্ক বিবেচনা করা। অস্ত্র রপ্তানি ও বিতরণ সম্পর্কিত ইস্যুগুলোতে ন্যাটো জোটের মধ্যে অবশ্যই আলোচনা করা উচিত। তাছাড়া ইইউর বেশিরভাগ সদস্য রাষ্ট্রই প্রতিরক্ষা দলটিতে ছিলেন, যোগ করেন অ্যাঙ্গেলা মের্কেল।
আগামী সপ্তাহগুলোতে তুরস্ক নিয়ে তাদের আলোচনা চালিয়ে যাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, তুরস্ক সম্পর্কে আসন্ন মার্কিন প্রশাসনের (বাইডেন প্রশাসন) সঙ্গে আমাদের নীতিগুলো সমন্বয় করতে চাই।
তার সরকার ইস্যুটির আরো মূল্যায়ন করার আগে তুরস্ক-ইইউ সম্পর্কের বিষয়ে ইইউ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেলের একটি প্রতিবেদনের জন্যও অপেক্ষা করবে বলে জানান এই বিশ্ব নেতা।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর খবরে বলা হয়, শীর্ষ সম্মেলনের আগে গ্রিস পূর্ব ভূমধ্যসাগরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে তুরস্কের ওপর ইইউর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছিল। তবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আলোচনা শুরুর পর অধিকাংশ ইউরোপীয় নেতা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বা কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন।
-এটি