আওয়ার ইসলাম: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে তারই কার্যালয়ের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া মালি রবিউল ইসলাম।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিনাজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য।
তিনি জানান, রবিউলের সাত ভাইয়ের মধ্যে তিন ভাই দিনাজপুর পৌরসভায় চাকরি করেন। এক ভাই চাকরি করেন জেলা প্রশাসকের সার্কিট হাউজে। দুই বছর আগে সে বিয়ে করেছে। রবিউলকে বুধবার রাতে বিরল উপজেলার বিজোড়া ইউনিয়নের বিজোড়া গ্রামে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, রবিউল ইসলাম হামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। অপরাধের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য গত কয়েকদিন ধরে পুলিশ দিন-রাত তদন্ত করেছে। ঘটনা সম্পর্কে জানতে ও সম্পূর্ণ তথ্য পেতে যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
তিনি জানান, রবিউলকে গ্রেফতার করার পর তার কথা মতো কিছু আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভির ফুটেজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।
হামলার মোটিভের বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, রবিউল ইসলামের বাড়ি বিরলের বিজোড়া গ্রামে। এখন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তাই তদন্ত শেষ করার পর খোলামেলা কথা বলা যাবে।
ইউএনও এবং তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হাতুড়িটি উদ্ধারের কথাও জানান তিনি। রবিউলের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না।’
-এএ