রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :

মদিনায় আরেক ‘ইসরায়েল’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে ইহুদিরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ফিলিস্তিনের ইসলামি স্কলার ওমার ফোরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইসরায়েল শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের জন্য হুমকি নয়; পুরো আরব বিশ্বের জন্য হুমকি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ইসরায়েলের চিন্তাভাবনা এবং ফিলিস্তিনের ভূমিতে যেসব ইহুদি বসবাসের যোগ্য, সেসব নিয়ে কথা বলেন তিনি।

ফিলিস্তিনের আল কুদস আল ইয়াউমের সঙ্গে আলোচনায় ১৯ আগস্ট ওমার ফোরা সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েল শুধুমাত্র ফিলিস্তিনিদের বিপদে ফেলছে না।

তিনি বলেন, নীল নদের পূর্বতীরে দূতাবাস খুলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইসরায়েল। কারণ তারা মনে করে নীল নদের পূর্ব তীরে থেকে ফোরাত নদী পর্যন্ত বাইবেলে উল্লেখিত ইসরায়েলের ভূমি। ইসরায়েল নীল নদের পশ্চিম তীরে দূতাবাস খুলেছে। কারণ তারা নীল নদের পশ্চিম অংশকে নিজেদের ভূখণ্ডের বাইরের অংশ বলে মনে করে।

নীল নদ থেকে ফোরাত নদী পর্যন্ত পুরো ভূমিতে বৃহত্তর ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা ইহুদিবাদীদের। অবশেষে তারা মদীনার ভূমি এবং আরব উপত্যকার বিভিন্ন অঞ্চল দাবি করবে, বলেন ফোরা। এ মুহূর্তে ইহুদি জাতীয়বাদী রাষ্ট্র বা বাইবেলের উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে চাইছে না ইসরায়েল। তবে তারা বৃহত্তর ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

তিনি বলেন, আল্লাহর কসম ওইদিন আসবে যখন, ইসরায়েল মদিনার ভূমি দাবি করবে। কুরাইজা, নাধির, বানু কাইনুদা এবং খায়বারে থাকা ইহুদি উপজাতিদের ভূমি ফেরত চাইবে। এটাই হচ্ছে ইহুদি জাতীয়বাদী আন্দোলনের সত্যিকারের লক্ষ্য।

তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ইহুদি ধর্মের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই। বিরোধ ইহুদি জাতীয়বাদ বা জায়নবাদের সঙ্গে। তবে ফিলিস্তিনের ভূমিতে সব ইহুদিদের বসবাসের অধিকার নেই বলে জানান তিনি।

‘আমাদের অভিভাবকত্বে এবং আমাদের কর্তৃত্বে ওইসব ইহুদিরা আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে যারা ফিলিস্তিনের ভূমিতে বসবাস করে আসছিল। আশকেনাজি ইহুদি যারা ইউক্রেন, রাশিয়া, বেলারুশ, পোল্যান্ড বা বিভিন্ন দেশ থেকে এসে ফিলিস্তিনের ভূমিতে বসতি স্থাপন করেছে, তাদের ফিরে যাওয়া উচিৎ; তারা যেখান থেকে এসেছে সেখানে, বলেন ফোরা। ফোরা ব্যখ্যা করে বলেছেন, সেফার্দি ইহুদিরা ফিলিস্তিনে থাকতে পারবে। ফিলিস্তিনিদের মতো বাধ্যবাধকতা এবং অধিকার ভোগ করতে পারবে।

তিনি বলেন, তারা আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারে। মরক্কোতে যেমনিভাবে তারা বসবাস করছে। মরক্কো সরকারের অধীনে। তারা ফিলিস্তিনে সেভাবে আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ