মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি গুমের অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির

আজ জাতির কণ্ঠ রুদ্ধ: মির্জা ফখরুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও আইসিটি আইনের সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,বিএনপি শুরু থেকেই বলে এসেছে, এই আইন কালো আইন। এই আইন সংবিধানবিরোধী। এই আইন জনগণের কণ্ঠ রোধ করার জন্য সরকারের হাতিয়ার। সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এই আইন করেছে। এগুলো সংবিধানবিরোধী।

আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে রাজধানীর উত্তরার বাসা থেকে এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর রয়েছে। আর্টিকেল ১৯-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে ৬৩টি।

২০১৮ সালে ডিজিটাল আইনে ও আইসিটি অ্যাক্ট মিলে মামলা হয়েছে ৭১টি। অন্যদিকে, ২০২০ সালের ২২ জুন পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে ১০৮টি। এসব মামলায় আসামি ২০৪ জন। তাঁদের মধ্যে সাংবাদিক ৪৪ জন। অন্যান্য পেশায় কর্মরত ও সাধারণ মানুষ ১৬০ জন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সবশেষ ছয় মাসে ১২ জন সাংবাদিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ইতিমধ্যেই সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জন্য সাংবাদিকেরা স্বাধীনভাবে লিখতে পারছেন না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাগুলোর মূল অভিযোগ হল ব্যক্তির মানহানি, আক্রমণাত্মক মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শন কিংবা রাষ্ট্রের তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ করা, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন, এই সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা প্রতিনিয়ত কীভাবে বিরোধীদলীয় কিংবা ভিন্নমতাবলম্বীদের সম্মানহানি করছে। কীভাবে আক্রমণাত্মকভাবে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করছে। কীভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের সুনাম আজ বিশ্বদরবারে দুর্নীতির সূচকের তলানিতে। এ সরকারের নেতা-কর্মীদের করোনা সার্টিফিকেট বিক্রির কারণে ইতালিতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কোনো ব্যক্তিকে ঢুকতে দেয়া হয় না। নিউইয়র্ক টাইমসে নেতিবাচক প্রবন্ধ হয় বাংলাদেশকে নিয়ে। মানবাধিকার লংঘনের শীর্ষ দেশগুলোয় বাংলাদেশ উঠে আসে।

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি কখনো ক্ষমতায় এলে যেসব আইন মানুষের অধিকার খর্ব করে, মানুষের বাক্ ও চিন্তার স্বাধীনতা হরণ করে, সেসব অবশ্যই বাতিল করবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ