বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
অপসারণ করা হলো কাবাঘরের চারপাশের ব্যারিয়ার হারামাইন প্রশাসনের সঙ্গে সুগন্ধি প্রতিষ্ঠানের তিন বছরের চুক্তি ‘মাওলানার সঙ্গে যা কথা বলেছি, কবরে নিয়ে যাব তবু প্রকাশ করব না’ ভেনেজুয়েলার পর এবার জাপানে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ‘ট্রাম্পকে চাপের মুখে ফেলছেন নেতানিয়াহু’ শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় জমিয়তের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহত ছাড়াতে পারে ১০ হাজার দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

প্রায় ২ হাজার করোনা টেস্টের গরমিল করেছে জেকেজি: ডিবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জেকেজি’র চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল চৌধুরীর প্রায় ২ হাজার করোনা পরীক্ষার সনদ জালিয়াতির প্রমাণ পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। করোনা সনদ জালিয়াতির ঘটনায় তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার শিগগির চার্জশিট দিবে ডিবি।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জেকেজি’র কম্পিউটার ও অন্যান্য মেশিনারিজ সিআইডির কাছে পাঠিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করিয়েছি আমরা। তাতে ১৩ হাজার ৫৮৫ টি কোভিড-১৯ নমুনা সংগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে ১১ হাজার ৬৬০টি নমুনা জেকেজি কর্তৃক ব্যবহৃত কম্পিউটারে সংরক্ষিত ছিল। আর এসব পরীক্ষার ভেতর গড়মিল রয়েছে ১ হাজার ৯২৫ টি কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফলাফল।

আব্দুল বাতেন বলেন, জেকেজি’র করোনা সনদ প্রতারণার মামলার তদন্ত কাজও আমারা শেষ করেছি। দ্রুত আমরা অভিযোগ পত্র (চার্জশিট) জমা দিতে পারব।

তিনি বলেন, সিআইডির ফরেনসিকে ১ হাজার ৯২৫ টি পরীক্ষায় গরমিল পাওয়া গেছে। তারা এসবের কোনটির নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠিয়েছে, আবার কোনটির নমুনা ল্যাবে পাঠায়নি। এমনো হয়েছে পরীক্ষা করতে আসা ব্যক্তিদের শুধু কাগজে লেখা কিছু করোনার সিমট্রম জিজ্ঞাসা করেও রিপোর্ট দিয়েছে। আইডিসি নামক ভুয়া ই-মেইল সার্ভারে মাধ্যমে এসব মনগড়া রিপোর্ট তারা নমুনা জমা দেয়া রোগীদের কাছে পাঠিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জেকেজি কোন তালিকাভুক্ত গ্রুপ অব কোম্পানীজ না। তাই সংশ্লিষ্টরা তাদের মন মতো পদবি ব্যবহার করেছেন। তাই ডা. সাবরিনা কখনো নিজেকে চেয়ারম্যান কখনো কনভেইনার দাবি করতেন। আসলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংগে চুক্তির দু’মাস পর জেকেজি সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নেয়। এটা কোন জয়েনস্টক কোম্পানি না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির বিষয়টি চার্জশিটে আসবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন বলেন, কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। তবে অনিয়মের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিত জানাবো আমরা। সরকারি ব্যবস্থা গ্রহণের কিছু নিয়ম রয়েছে। সে নিয়ম অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ