আওয়ার ইসলাম: কোরবানির ঈদের কয়েক দিন বাকি থাকতে ঢাকার বাজারে কিছু মসলার সঙ্গে পেয়াজ ও আদার দাম বেড়েছে। গতকাল রাজধানীর বাজারগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মসলার মধ্যে দারুচিনি, লবঙ্গ, শুকনা মরিচ ও হলুদের দাম বেড়েছে। তবে জিরা, রসুন, এলাচের দাম কিছুটা কমেছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।
মানিকনগরের বাসিন্ধা রবিউল ইসলাম একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, বাজারে তো সব কিছুরই দাম চড়া। আর সব সময়ই গরম মসলার দাম পাইকারি বাজারের চেয়ে অনেক বেশি নেওয়া হয়।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পেয়াজের দাম কেজিতে পাঁচ টাকার মত বেড়েছে। দেশি পেয়াজ ৫০ টাকার কমে বিক্রি হচ্ছে না। ভারতীয় পেয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
আদার দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে আমদানি করা আদা ১৪০ টাকা বিক্রি হলেও তা এখন ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি আদা ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
গরম মসলা দারুচিনি ও লবঙ্গ কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে। খুচরা বাজারে দারুচিনি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, তা গত সপ্তাহে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বিক্রি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা জানান।
লবঙ্গের দাম কেজিতে বেড়েছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৭০০ থেকে এক হাজার টাকা।
গত সপ্তাহের তুলনায় শুকনা মরিচ ও হলুদের কেজিতে ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। খুচরা বাজারে দেশি মরিচের কেজি ২২০ থেকে ২৬০ টাকা ও আমদানি মরিচের কেজি ২৬০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
তবে কমেছে জিরা ও রসুনের দাম। জিরা কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। রসুন কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে ৯০ থেকে ১৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এমডব্লিউ/