শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘সড়কে সুশাসন বিলাসিতা নয়, মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত’ কাউন্টারে ভাড়ার চার্ট টানিয়ে রাখার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের মার্কিন দূতাবাসকর্মীদের ওমান ছাড়ার নির্দেশ সংসদ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ যানজট কমাতে ঈদের আগে-পরে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন করে ইমাম থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী ইমামদের পক্ষে শায়খে চরমোনাইয়ের যে দাবি মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন আমিরে মজলিস ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সাহাবুদ্দিন মেডিকেলের এমডিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মামলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অনুমোদন ছাড়া করোনা পরীক্ষা ও ভুয়া রিপোর্ট দেয়াসহ বিভিন্ন জালিয়াতির অভিযোগে রাজধানীর বেসরকারি সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার দিবাগত রাতে গুলশান থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. কামরুজ্জামান।

তিনি বলেন, জালিয়াতির এই মামলায় বর্তমানে র‌্যাব হেফাজতে থাকা হাসপাতালটির দুই কর্মকর্তাসহ আরো একজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো ৪-৫ জনকে আসামির তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, মামলার প্রধান তিন আসামি হলেন- সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. আবুল হাসনাত (৫২), ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদির (৩৩) এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সাল আল ইসলাম (৩৪)। এর মধ্যে বর্তমানে র‌্যাব হেফাজতে আছেন ডা. মো. আবুল হাসনাত ও ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদির। অপরজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এর আগে রোববার বিকেলে রাজধানীর গুলশান-২-এ অবস্থিত সাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে র‌্যাব। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযানে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে বেশ কিছু জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযানে একটি অপারেশন থিয়েটার (ওটি) থেকে পাঁচটি মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী (এনডোট্রাসিয়াল টিউব) উদ্ধার করা হয়। পরে এসব সার্জিক্যাল সামগ্রীগুলো মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ যাচাই করে দেখা যায়, এগুলোর সবগুলোর মেয়াদই ২০০৯ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া হাসপাতালটির আরো চারটি ওটি রয়েছে। যেগুলো তালাবদ্ধ ছিল।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে এ অভিযানে উপস্থিত থাকা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, অপারেশনের সময় এই এনডোট্রাসিয়াল টিউবগুলো রোগীদের গলার ভেতর ঢুকিয়ে অজ্ঞান করা হয়। এই সার্জিক্যাল সামগ্রীগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় রোগীর প্রাণ হারানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ