শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ।। ১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৫ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত ‘সড়কে সুশাসন বিলাসিতা নয়, মানুষের জীবনরক্ষার অপরিহার্য শর্ত’ কাউন্টারে ভাড়ার চার্ট টানিয়ে রাখার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের মার্কিন দূতাবাসকর্মীদের ওমান ছাড়ার নির্দেশ সংসদ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ যানজট কমাতে ঈদের আগে-পরে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ থাকবে আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন করে ইমাম থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী ইমামদের পক্ষে শায়খে চরমোনাইয়ের যে দাবি মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী ওমরাহ পালনে সৌদি গেলেন আমিরে মজলিস

ডা. সাবরিনা ফের ২ দিনের রিমান্ডে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনার নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার জোবেদা খাতুন হেলথকেয়ার (জেকেজি) প্রজেক্টের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে নতুন করে আরও দুই দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।

ডা. সাবরিনাকে আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করলে এই আদেশ দেন বিচারক।

এ সময় আসামী পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। এছাড়া তেজগাঁও থানার প্রতারণা মামলায় আবারো তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে ডিবি। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমানের আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সরকারি ডাক্তার হওয়ার পরও জোবেদা খাতুন হেলথকেয়ার (জেকেজি) প্রকল্পে নিয়ম না মেনে চেয়ারম্যান থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ প্রতিষ্ঠান থেকেই তিনি করোনার ভুয়া সনদ দিয়েছেন বলে অভিযোগ পুলিশের।

এর আগে গত ১৪ জুলাই ডা. সাবরিনার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সেই রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে।

গত ২৩ জুন জেকেজির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ও ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর পর থেকেই সরকারি চিকিৎসক হয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে থাকা সাবরিনার নাম এবং জালিয়াতির তথ্য নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এ সময় একটি ল্যাপটপে ১৫ হাজার ভুয়া রিপোর্ট তৈরির আলামত পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করা হয়।

জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনা টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করা হয়, যা জব্দ করা ল্যাপটপে পাওয়া গেছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ