আওয়ার ইসলাম: খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মেহাম্মদ ইসহাক বলেছেন, আসন্ন ঈদুল আযহায় পশু ক্রয় ও কোরবানিতে কোন রকম প্রতিবন্ধকতা সহ্য করা হবে না। এক শ্রেণির ইসলাম বিদ্বেষী চক্র করোনাসহ নানা অযুহাতে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল কোরবানিকে সীমিত করে ফেলার চক্রান্ত করছে। এসব ইসলাম বিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে সাবইকে সজাগ থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে কোরবানি হচ্ছে মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। সাধারণ দান-সাদাকা কোরবানির বিকল্প নয়। যাদের উপর কোরবানি ওয়াজিব তাদেরকে আসন্ন ঈদুল আযহায় যথাযথভাবে পশু কোরবানি দিতে হবে।
আজ শুক্রবার খেলাফত মজলিস মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন শাখা দায়িত্বশীলদের তরবিয়তী মজলিসের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, আসন্ন ঈদ-উল-আযহায় কুরবানীকৃত পশুর চামড়ার দাম নিয়ে যাতে গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য সরকারকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। এক ধরণের অসাধু চামড়া সিন্ডিকেটের কারণে গত বছর বহু চামড়া মাটিতে পুতে ফেলতে হয়েছে, পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এতে চামড়ার অর্থের হকদার গরীব- এতিমরা বঞ্চিত হয়েছে।
দেশের চামড়া শিল্পও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। গরীব-এতিমদের বঞ্চিত করার ফল কখনোই শুভ হয় না। তাই চলমান করোনা দুর্যোগের অযুহাতে অসাধু চামড়া সিন্ডিকেট যাতে চামড়ার মূল্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে।
এ বছর যাতে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয় তার জন্য সরকারকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। প্রকৃত ব্যবসায়ীদের চামড়া ক্রয়ের জন্য বিনা সুদে ঋণ দিতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে মাঠ পর্যায়ে চামড়ার বাজার মনিটরের ব্যবস্থা করতে হবে।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় অফিস ও প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক মুহা. আব্দুল জলিলের সঞ্চালনায় খেলাফত মজলিস মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বশীলদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এ ভার্চুয়াল তরবিয়তী মজলিসে আলোচনা পেশ করেন সংগঠনের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুফতি ওযায়ের আমীন প্রমুখ।
-এএ