হুমায়ুন আইয়ুব: বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌখিকভাবে দেশের হিফজখানা খুলে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। গতকাল স্বরাষ্টমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান কামাল টেলিফােনে বিষয়টি আমাকে নিশ্চিত করেছেন।
মাদাসা খুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া সর্ম্পকে জানতে চাইলে আওয়ার ইসলামকে এসব কথা বলেছেন-বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহকারী মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক।
তিনি বলেন, গত ২৭ জুন বেফাকের জরুির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মাদরাসা খুলে দেওয়ার বিষয়ে ৩ সদস্যের একটি সাব কমিটি করা হয়। সাব কমিটির সদস্যরা হচ্ছেন-মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা নুরুল আমিন। তাদের কাজ হচ্ছ সরকারের নীতি নির্ধারনীর সঙ্গে কথা বলে মাদরাসা খোলার ব্যবস্থা করা।
মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন- আমরা পর্যায়ক্রমে স্বরাষ্টমন্ত্রী, মন্ত্রীপরিষদ সচিব এবং ধর্ম বিষয়ক সবিচের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে হিফজ বিভাগ খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পেরেছি। মাদরাসা খুলে দেওয়ার বিষয়ে বেফাকের ভূমিকাই মুখ্য বলেন তিনি।
জানা যায়, গত ২৮ জুন বেফাকের প্রতিনিধি টিম সরাষ্টমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ৩০ জুন জোহরের পর ধর্ম বিষয়ক সবিচের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেদিনই মন্ত্রী পরিষদ সচিবের সঙ্গেও যোগােযাগ করেন। মন্ত্রী পরিষদ সচিব গত ৫ জুলাই অফিস করেছন। তিনি সেদিনই বেফাকের দাবির বিষয় ইতিবাচক বলে আমাদের অবগত করেছেন।
মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, অচিরেই সরকার বিষয়টি নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেব। প্রজ্ঞাপন হাতে পাওয়ার পরই বেফাক হিফজখানা খুলে দেওয়া ব্যাপারে মাদরাসাগুলোকে নোটিশ জারী করবে।
জানা যায়, ৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন করেছে বেফাক। আবেদনের মাধ্যম ছিল-মন্ত্রী পরিষদ সচিব। অনুলিপি ছিলো-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জনপ্রসাশনমন্ত্রী এবং ধর্মসিচব।
চিঠিতে ৩ দাবি: প্রধানমন্ত্রী বরাবর বেফাকের আবেদনপেত্র ৩ টি দাবি গুরুত্ব পায়। ১. হেফজখানা খুলে দেয়া ২. বেফাক ও হাইয়াতুলের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ ৩.কুরাবনীর চামরা সংগ্রহের সুযোগ দেয়া।
-এএ