মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

জনগণের তহবিল আত্মসাত: ‘প্রধানমন্ত্রী’র ৫ বছর জেল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জনগণের তহবিল আত্মসাতের অভিযোগে ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সিয়োস ফিলন, তার স্ত্রী পেনেলোপ এবং সহকারী মার্ক জৌলাদকে দোষী সাব্যস্ত করেছে প্যারিস আদালত। অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে ফিলনকে পাঁচ বছরের জেল দেয়া হয়েছে।

সিএনএনের বরাতে জানা যায়, ক্ষমতায় থাকাকালীন স্ত্রী, সন্তান ও সহকারীকে অল্প কিংবা কোনো কাজ না করার পরেও লাখ লাখ ইউরো দিয়েছেন ফিলন। এসব অর্থ তিনি জনগণের তহবিল থেকে খরচ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এই অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় প্যারিস আদালত তাকে ৫ বছরের জেল ও ৩ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো (সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি) জরিমানা করেছে। পাশাপাশি ফ্রান্সের যে কোনো নির্বাচনী কার্যক্রমে তাকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তার স্ত্রী পেনেলোপকে ৩ বছরের জেলের পাশাপাশি ৩ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো জরিমানা করা হয়েছে।

আদালতের রায় প্রকাশের পর ফিলনের আইনজিবী এনটোনিন লেভি বলেন, এই সিদ্ধান্ত নিরেপক্ষ হয়নি এবং এর বিরুদ্ধে আপিল করবো। সেখানে নতুনভাবে ট্রায়াল করা হবে। গত কয়েকদিনে আমরা বুঝতে পেরেছি যে এই মামলার তদন্তে গাফিলতি ছিলো, যা হাস্যকর।

২০০৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন ফিলন। ২০১৭ সাল থেকে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আসতে শুরু করে। সবার আগে বোমাটি ফাটায় ফ্রেঞ্চ দৈনিক লা কানার্ড এনচাইনে। এক প্রতিবেদনে তারা দাবি করে, ফিলনের স্ত্রী ও সন্তানেরা সরকারি কোনো দায়িত্ব পালন না করেও ১ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছে।

এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর তা প্রত্যাখ্যান করেন ফিলন। তিনি বলেছিলেন, আমার স্ত্রী ১৫ বছর ধরে আমার সহকারী হিসেবে কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন অনেক দাপ্তরিক কাজেও সে আমাকে সহায়তা করেছে। আমার সন্তানরাও বিভিন্ন সময়ে আমার সহকারীর দায়িত্ব পালন করেছে। তারা কেউ অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেনি।

ধারণা করা হয়, এই বিতর্কের কারণেই ২০১৭ সালের ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যান তিনি। বিপরীতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোনের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায় এবং জয়ী হন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ