আওয়ার ইসলাম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের অপসারণ দাবি করেছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। একই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের ওই সংগঠনটি। এতে স্বাক্ষর করেন সংগঠনাটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ ও মহাসচিব ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম।
বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি উল্লিখিত দাবি করা হয়। সেইসঙ্গে ওই ঘটনাকে ‘দুর্নীতি ও অপকর্ম’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে তারা বলেন, তাদের (স্বাস্থ্য অধিদপ্তর) কথিত ভুলের কারণেই এখন শতাধিক চিকিৎসকসহ প্রায় ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী কোডিভ-১৯-এ সংক্রমিত হয়েছেন। এ ছাড়া পাঁচ শতাধিক স্বাস্থ্যকর্মী কোয়ারেন্টাইনে এবং এক জন মেধাবী চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন। তারা মনে করেন, এটি ভুল না, বরং স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিনের দুর্নীতির বহিঃপ্রকাশ মাত্র।
তারা আরও বলেন, ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মাধ্যমে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে।
বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনতার আদালতেই তাদের বিচার করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য এন-৯৫ মাস্ক দেয়ার কথা থাকলেও তাদের সাধারণ মাস্ক সরবরাহ করা হয়। পরে গত শুক্রবার বিষয়টি ভুলবশত হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বীকার করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
-এএ