মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটক গ্রহণকারী শহরগুলোর তালিকায় মক্কা পঞ্চম, মদিনা সপ্তম লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র ও ফসফরাস বোমা হামলা গুম প্রতিরোধ আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত ২ ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে চায় না জমিয়ত যমুনায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ২ স্কুলছাত্র ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের ন্যায়সংগত সংগ্রাম’ চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত ৩ উপজেলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এবার দক্ষ ইসলামি গবেষক তৈরির উদ্যোগ আস-সুন্নাহর, দিনব্যাপী কর্মশালা ২২ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ

চলতি মৌসুমে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ক্রয় করবে সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চলতি বোরো মৌসুমে সরকার ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ অর্থাৎ ক্রয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সকালে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা ধান সংগ্রহ করার ঘোষণা দিয়েছি। এখন আট লাখ মেট্রিক টন ধান, ১০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আতপ এবং ৮০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ সর্বমোট ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ করবে সরকার। তাতে আমাদের ভবিষ্যতে আর কোনো অভাব হবে না। আগামী তিন বছর অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। যাতে আমাদের দেশের মানুষ কোনো কষ্ট না পায়।

তিনি বলেন, সামনে রোজা আসছে। এজন্য ১০ টাকা কেজিতে ওএমএস চাল বিক্রি করছি। সেখানে আরও ৫০ লাখ মানুষের তালিকা করা হবে। প্রায় ৫ কোটি মানুষ খাদ্য সহায়তা পাবেন। ধান ওঠা শুরু করেছে। সুতরাং খাদ্যে কোনো ঘাটতি পড়বে না।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগেও বলেছিলাম এপ্রিল মাস আমাদের জন্য কষ্টের হবে। এজন্য এই মাসে সবাইকে সাবধানে থাকার কথা বলেছিলাম। আমাদের সংক্রমণও বেড়ে গেছে এপ্রিল মাসে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে দেড়শ'র মতো বাংলাদেশি মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যেও বাংলাদেশি ডাক্তারসহ অনেকে মারা গেছেন। সে তুলনায় আমরা অনেক নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এজন্য আমরা যদি আর একটু সচেতন হই তাহলে আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তারপরেও জীবন থেমে থাকবে না।

‘যারা কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত আছেন, যেমন যারা ধান কাটবেন তাদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। করোনা পরবর্তী বিশ্বে দুর্ভিক্ষ কিংবা খাদ্য সংকট আসতে পারে। এজন্য এক টুকরো জমিও যেন খালি না থাকে। পাশাপাশি যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন তারা যেন তাদের কাজ চালু রাখেন। আমরা ইতোমধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছি। কৃষিখাতে আরও বেশি প্রণোদনা দিয়েছি। এজন্য আমরা চাই, উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা করে দিতে পারি। এজন্য হাট বসার ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় হাট বসার ব্যবস্থা করেছি।’

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ