রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

চলতি মৌসুমে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ক্রয় করবে সরকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চলতি বোরো মৌসুমে সরকার ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ অর্থাৎ ক্রয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার সকালে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাসমূহের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা ধান সংগ্রহ করার ঘোষণা দিয়েছি। এখন আট লাখ মেট্রিক টন ধান, ১০ মেট্রিক টন চাল, ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন আতপ এবং ৮০ হাজার মেট্রিক টন গমসহ সর্বমোট ২১ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য সংগ্রহ করবে সরকার। তাতে আমাদের ভবিষ্যতে আর কোনো অভাব হবে না। আগামী তিন বছর অর্থনীতির চাকা চালু রাখতে সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। যাতে আমাদের দেশের মানুষ কোনো কষ্ট না পায়।

তিনি বলেন, সামনে রোজা আসছে। এজন্য ১০ টাকা কেজিতে ওএমএস চাল বিক্রি করছি। সেখানে আরও ৫০ লাখ মানুষের তালিকা করা হবে। প্রায় ৫ কোটি মানুষ খাদ্য সহায়তা পাবেন। ধান ওঠা শুরু করেছে। সুতরাং খাদ্যে কোনো ঘাটতি পড়বে না।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আগেও বলেছিলাম এপ্রিল মাস আমাদের জন্য কষ্টের হবে। এজন্য এই মাসে সবাইকে সাবধানে থাকার কথা বলেছিলাম। আমাদের সংক্রমণও বেড়ে গেছে এপ্রিল মাসে। যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে দেড়শ'র মতো বাংলাদেশি মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যেও বাংলাদেশি ডাক্তারসহ অনেকে মারা গেছেন। সে তুলনায় আমরা অনেক নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এজন্য আমরা যদি আর একটু সচেতন হই তাহলে আরও নিয়ন্ত্রণে আসবে। তারপরেও জীবন থেমে থাকবে না।

‘যারা কৃষি কাজের সঙ্গে জড়িত আছেন, যেমন যারা ধান কাটবেন তাদের কর্মস্থলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। করোনা পরবর্তী বিশ্বে দুর্ভিক্ষ কিংবা খাদ্য সংকট আসতে পারে। এজন্য এক টুকরো জমিও যেন খালি না থাকে। পাশাপাশি যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন তারা যেন তাদের কাজ চালু রাখেন। আমরা ইতোমধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছি। কৃষিখাতে আরও বেশি প্রণোদনা দিয়েছি। এজন্য আমরা চাই, উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের জন্য ব্যবস্থা করে দিতে পারি। এজন্য হাট বসার ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় হাট বসার ব্যবস্থা করেছি।’

-এএ