বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
আশুরার চেতনায় সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সীমান্তে পুশইনচেষ্টা বিজেপির নোংরা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ: জমিয়ত সভাপতি গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮ আত্মপরিচয় পুনরুদ্ধারই হোক এবারের আশুরার মূল অঙ্গীকার সারাদেশে ইমাম-মুয়াজ্জিনের সংখ্যা কত, সংসদে জানালেন ধর্মমন্ত্রী ‘জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে অগ্রাধিকার খাত বিবেচনায় সরকারের ভাবনা’  জনসচেতনতার ঘাটতি ও টিকাদানে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে: মাওলানা আরশাদ মাদানী শাপলা মামলায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় সাক্ষ্য দিলেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা মামলা প্রত্যাহার করায় কর্মসূচি স্থগিত করল ইসলামী আন্দোলন

মুম্বাইয়ের সবচেয়ে বড় বস্তিতে করোনার হানা, ভয়াবহ বিপর্যয়ের শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ভয়াবহ ঝুঁকিতে রয়েছে ভারত। ঘনবসতিপূর্ণ দেশে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গেলে তা ভারতের পক্ষে খুবই বিপদজনক বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে পাওয়া গেল ভয়াবহ তথ্য। ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বাইয়ের বস্তিগুলোতে ছড়িয়ে পরেছে করোনা ভাইরাস। মুম্বায়ের এ বস্তিগুলোতে চার জন করোনা আক্রান্ত রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে।

জানা যায়, এর মধ্যে পারেলে ৬৪ বছর, জামভিপাড্ডায় ৩৭ বছর বয়স্ক, এছাড়া ঘাটকোপার বস্তিতে ২৫ এবং ৬৮ বছর বয়স্ক চার জনকে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

মুম্বাইয়ের এ বস্তিগুলোতে একটা ১০ ফুট বাই ৮ ফুট ঘরে ৬-৭ জন মানুষ বাস করেন। বস্তিগুলোতে এ রকম পরপর ২০০০ থেকে ২৫০০ ঘর রয়েছে এক একটি বস্তিতে। প্রতি ২০০ পরিবার পিছু একটি সাধারণ শৌচাগার। এদিকে মুম্বাইয়ের কালিমবার জামবালিপাড়া বস্তিতে ৩৭ বছরের এক যুবকের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস।

প্রায় ৮০০ পরিবারের বাস এবং তাদের জন্য বরাদ্দ মাত্র কয়েকটি শৌচাগার। আক্রান্ত যুবক বিদেশ থেকে ফিরেছেন কিছুদিন আগে। বিমানবন্দরে তার পরীক্ষায় কোনো অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যায়নি। পরবর্তীসময়ে তার শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। বর্তমানে তার চিকিৎসা কস্তুরবা হাসপাতালে চলছে। ওই বস্তিতে আর কেউ করোনাতে আক্রান্ত কিনা তা জানার জন্য পরীক্ষা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফলে এখানে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখা কী সম্ভব নয়, বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা যদি একবার করোনা কোনোভাবে এ বস্তিগুলোতে থাবা বসাতে পারে তবে ভারত করোনার তৃতীয় দফা সংক্রমণের পর্যায়ে প্রবেশ করে যাবে।

ইতোমধ্যে সংক্রমন রুখতে লকডাউনের পাশাপাশি কার্ফু জারি করেছে মহারাষ্ট্র সরকার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব যাতে না হয় তার জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ