বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

করোনায় মসজিদে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে দেওবন্দের বিশেষ ফতোয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।।

ভারতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্বাস্থমন্ত্রণালয় থেকে সরকার যে দিকনির্দেশনা দিয়েছে, সেটা মেনে চলার জন্য মুসলিমদের প্রতি আহ্বান করেছে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দ। এ কঠিন মুহূর্তে মুসলিমদের মসজিদে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ ফতোয়াটির অনুবাদ হুবহু তুলে ধরা হলো।

গতকাল সোমবার দেওবন্দের পক্ষ থেকে জারি করা এক আহ্বানপত্র ও ফতোয়ায় দেশের মুসলিমদের প্রতি এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

দেওবন্দের এ আহ্বান পত্রে বলা হয়, করোনা ভাইরাস থেকে দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে সরকার যে কারফিউ বা লকডাউন জারি করেছে সেগুলো মেনে চলে দেশকে এ মহামারী থেকে বাঁচাতে সহযোগিতা করা আমাদের কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে নিজেরাও সতর্ক থাকবেন ও অন্যদেরও সতর্ক থাকতে বলবেন।

দেওবন্দের এ ফতোয়ায় এ কঠিন পরিস্থিতিতে মসজিদে নামাজ আদায়ের বিষয়ে বলা হয়, সরকার যেসব এলাকায় কারফিউ বা লকডাউন জারি করেছে, অথবা যেসব এলাকায় ভিড় জমায়েত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, সেসব এলাকার মসজিদগুলোকে অনাবাদ না করতে মসজিদ কর্তৃপক্ষের উচিত কোনো হেকমত অবলম্বন করা। যেনো মসজিদকেও আবাদ রাখা যায়, আবার দেশের আইনও লঙ্ঘণ না হয়। এটা এভাবে করা যায়, যেসব এলাকায় লোকসমাগমে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সেসব এলকার মসজিদগুলোতে ইমাম মুয়াজ্জিনসহ আরো কয়েকজন মুসল্লি মিলে আজান ইকামতের সঙ্গে জামাত চালু রাখবে। আর অন্যান্য মুসল্লিগণ তাদের ঘরে নামাজ আদায় করবেন।

আর যেসব এলাকায় এ ধরণের নিষেধাজ্ঞা নেই, সেখানে মুসল্লিগণ অজু ও সুন্নাত তাদের ঘরে সেরে আসবে, মসজিতে নিরাপদ দূরত্বে বসবে। জামাতে নামাজ আদায় করে আবারো ঘরে চলে যাবে। আর মসজিদ কর্তৃপক্ষের উচিত, তারা মসজিদকে পরিস্কার পরিছন্ন রাখবে।

দারুল উলুম দেওবন্দের এ ফতোয়ার পর করোনা ভাইরাস বিষয়ে মুসলিমদের আকিদা বা বিশ্বাস সম্পর্কে বলা হয়। দেবন্দের সে ফতোয়ায় বলা হয়,

করোনা ভাইরাস বিষয়ে প্রত্যেক মুসলিমের এ বিশ্বাস থাকতে হবে, কোনো রোগ ভাইরাস, মহামারী আল্লাহর হুকম ছাড়া কাউকে আক্রান্ত করে না। এসব রোগ ও মহামারী মানুষের গুনাহের কারণেই এসে থাকে। এগুলো থেকে আল্লাহ তায়ালাই মুক্তি দিতে পারেন।

এজন্য প্রত্যেক মুসলিমের উচিত, প্রত্যেকে নিজ নিজ দীনি অবস্থান কে শক্তিশালী করবে। অর্থাৎ গুনাহ পরিত্যাগ করা, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া, জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় না ছাড়া। তাওবা ইস্তিগফার বেশি বেশি করা। আল্লাহর কাছে গুনাহগুলোর জন্য ক্ষমা চাওয়া। সব ধরণের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। বেশি বেশি আমল করা। মানুষকে আমল ও তওবার প্রতি আহ্বান করা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের তাওফিক দান করুন।

ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া থেকে হুবহু আবদুল্লাহ তামিমের অনুবাদ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ