বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২২ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

অস্ত্র কেনায় বিশ্বে প্রথম সৌদি দ্বিতীয় ভারত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গেলো পাঁচ বছর ধরে সৌদি আরব বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করেছে। এসব অস্ত্রের বেশির ভাগই আমেরিকা থেকে আমদানি করেছে রিয়াদ।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট বা সিপ্রি এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছরে সৌদি আরব অস্ত্র আমদানির পরিমাণ শতকরা ১৩০ শতাংশ বাড়িয়েছে। ফ্রান্স২৪।

সিপ্রির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে বিশ্বে যত অস্ত্র বিক্রি হয়েছে তার ১২ শতাংশ একা সৌদি আরব কিনেছে। স্টকহোমভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি আরো জানিয়েছে, ২০১০ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো অস্ত্র আমদানির পরিমাণ ৬১ শতাংশ বাড়িয়েছে। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়ে সারা বিশ্বের মোট অস্ত্রের ৩৫ শতাংশ কিনেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী ইয়েমেনে আগ্রাসন চালানো সত্ত্বেও আমেরিকা এবং ব্রিটেনের মতো প্রধান অস্ত্র রফতানিকারক দেশগুলো সৌদি আরবে অস্ত্র রফতানি অব্যাহত রেখেছে। এতে আরো বলা হয়েছে, সৌদি আরব ৭৩ শতাংশ অস্ত্র আমেরিকা থেকে এবং ১৩ শতাংশ ব্রিটেন থেকে আমদানি করেছে।

অন্য দিকে বিশ্বের অস্ত্র আমদানিকারক দেশের তালিকায় ২০১৯ সালে পাকিস্তান ছিল ১১তম। অন্য দিকে তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়।

সোমবার স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি) এই তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, পাকিস্তানের কাছে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র বিক্রি করেছে চীন, রাশিয়া ও ইতালি। তবে বৈশ্বিক হিসেবে পাকিস্তানের অস্ত্র আমদানি তুলনামূলক কমেছে।

সিপ্রি জানায়, ২০১৫-১৯ মেয়াদে পাকিস্তানের ৭৩ শতাংশ অস্ত্র এসেছে চীন থেকে। একই মেয়াদে রাশিয়া ও ইতালি থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৬.৬ শতাংশ ও ৬.১ শতাংশ।

আলোচ্য মেয়াদে পাকিস্তানের অস্ত্র আমদানি ৩৯ শতাংশ কমেছে বলে দেখা যায়। পাকিস্তানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করে দেয়া এর কারণ। ইতালি ও তুরস্কের মতো শীর্ষ অস্ত্র রফতানিকারক দেশের অস্ত্র ক্রেতাদের শীর্ষ তিন দেশের একটি পাকিস্তান।

পাকিস্তান ২০১৫-১৯ মেয়াদে ইতালি থেকে ৭.৫ শতাংশ ও তুরস্ক থেকে ১২ শতাংশ অস্ত্র আমদানি করেছে। সিপ্রির গবেষণায় দেখা গেছে, ২০১৫-১৯ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় অস্ত্র রফতানিকারক হলেও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে মার্কিন অস্ত্র আমদানি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে।

এই মেয়াদে পাকিস্তানে মার্কিন অস্ত্র আমদানি কমেছে ৯২ শতাংশ, ভারতে ৫১ শতাংশ । ২০১০-১৪ মেয়াদে পাকিস্তানের আমদানি করা অস্ত্রের ৩০ শতাংশ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। তা ২০১৫-১৯ মেয়াদে ৪.১ শতাংশে নেমে এসেছে।

এ দিকে গত পাঁচ বছরে বিশ্বের পঞ্চম বৃহৎ অস্ত্র রফতানিকারক দেশ ছিল চীন। আর এই দেশ থেকেই পাকিস্তান সবচেয়ে বেশি অস্ত্র আমদানি করে। ২০১৫-১৯ মেয়াদে চীন যত অস্ত্র রফতানি করেছে তার ৩৫ শতাংশ করেছে পাকিস্তানে।

২০১০-১৪ মেয়াদে যেখানে চীন থেকে পাকিস্তান তার ৫১ শতাংশ অস্ত্র আমদানি করে সেখানে এর পরিমাণ বেড়ে ২০১৫-১৯ মেয়াদে দাঁড়ায় ৭৩ শতাংশ। পাকিস্তান এ ছাড়া ইউরোপ ও তুরস্ক থেকে অস্ত্র আমদানি করছে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ