মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ ।। ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৬-২৭ সালের অনুমোদিত ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ​মুরাদনগরের ইউএনও সারওয়ার রাব্বী গুরুতর অসুস্থ: জমিয়তের দোয়ার আহ্বান জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ক্যাম্পাসে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান ছাত্র জমিয়তের স্মৃতির পাতায় ৫ আগস্ট ও নতুন স্বাধীনতার ভোর গুমের তদন্ত পুলিশের হাতে থাকলে ন্যায়বিচার মিলবে না: গাজী আতাউর রহমান জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মজলিসে আমেলার শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ছাত্রদল-শিবিরের হামলার নিন্দা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সিলেট বিভাগ দিয়ে শুরু হচ্ছে বেফাক বোর্ডের মাদরাসা পরিদর্শন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সৌদি শুক্রবার আফতাবনগরের খতমে নবুওয়াত কনফারেন্সে বয়ান করবেন দেওবন্দের মুহতামিম

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে সৌদির গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক প্রধান আটক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে সৌদি রাজ পরিবারের অন্তত ২০ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

গতকাল রোববার একই অভিযোগে আটক হয়েছেন আরেক প্রভাবশালী প্রিন্স ও দেশটির সেনাবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান নায়েফ বিন আহমাদ বিন আব্দুল আজিজ।

জানা যায়, গত কয়েকদিনে আটক সৌদি প্রিন্সদের মধ্যে আব্দুল আজিজ অন্যতম প্রভাবশালী। তিনি দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন পর্যন্ত সৌদি রাজপরিবারের যে ২০ জন প্রিন্সকে আটক করা হয়েছে, তার মধ্যে প্রভাবশালী চার জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। ধরপাকড় এখনো অব্যাহত রয়েছে।

পরিচয় জানা চার প্রিন্স হলেন- সৌদি বাদশাহ সালমানের একমাত্র জীবিত ভাই প্রিন্স আহমেদ বিন আবদুল আজিজ ও তার ছেলে ল্যান্ড ফোর্সেস ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি অথরিটির প্রধান প্রিন্স নায়েফ বিন আহমেদ এবং সাবেক ক্রাউন প্রিন্স ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন নায়েফ ও তার সৎ ভাই নাওয়াফ বিন নায়েফ। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ বিন নায়েফকে ২০১৭ সালে গৃহবন্দী করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু বিদেশি শক্তির সহায়তায় অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সৌদির বর্তমান রাজা সালমান বিন আব্দুল আজিজকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রিন্সদের আটক করা হয়েছে দাবি করা হচ্ছে। ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের আনা এমন অভিযোগে রাজা সালমান নিজেই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে ২০১৭ সালে যুবরাজের নির্দেশে এক ডজনের বেশি রাজ পরিবারের সদস্য, মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীকে আটক করে রিয়াদের রিজ-কার্লটন হোটেলে রাখা হয়। তাদের মধ্যেও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। পরে সরকারের সঙ্গে ‘দফারফা’ হওয়ার পর আটককৃতদের মুক্তি দেয়া হয় বলে জানা যায়। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ