শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে: জমিয়ত ‘কোরআন-সুন্নাহ ও আকাবিরের পদাঙ্ক অনুসরণেই প্রকৃত শান্তি সম্ভব’ ইসলামি দলগুলোর ঐক্য নষ্ট করেছে জামায়াত: পীর সাহেব চরমোনাই মানবতার মুক্তিতে পূর্ণাঙ্গ দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খেলাফত মজলিস হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় মতপার্থক্য ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  বরিশালে ইসলামী আন্দোলন সমর্থিত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা ইকরা আইডিয়ালের হিফজ সমাপনী পাগড়ি প্রদান ও অভিভাবক সম্মেলন অনুষ্ঠিত চতুর্থবারের মতো শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠকের সম্মাননা পেলেন আমিনুল হক সাদী মসজিদে নববির আঙিনায় মুসল্লিদের ছায়া দিচ্ছে ২৫০ বিশাল ছাতা

পশ্চিমবঙ্গ থেকে এক কোটি মুসলিমকে ফেরত পাঠানো হবে: দিলিপ ঘোষ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি দিলিপ ঘোষ রাজ্যটিতে অবৈধভাবে বাস করা এক কোটি বাংলাদেশি মুসলিমকে ফেরত পাঠানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। গতকাল রোববার চব্বিশ পরগনার এক সমাবেশে দেয়া ভাষণে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, যারা নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করছে তারা ভারত ও বাঙালি বিরোধী। তারা ভারতের ধারণার বিরোধি। তাই তারা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিরোধিতা করছে। তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী এক কোটি অবৈধ মুসলিম সরকারের দুই রুপির ভর্তুকির চাল খেয়ে বেঁচে আছে। আমরা তাদের ফেরত পাঠাবো।

তিনি আরও বলেন, এই অবৈধ বাংলাদেশি মুসলিমরা রাজ্যে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরে জড়িত। যারা সিএএ’র বিরোধিতা করছে তারা ভারত ও বাঙালি বিরোধী। তারা ভারতের ধারণার বিরোধি। তাই তারা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার বিরোধিতা করছে।

সিএএ’র বিরোধিতাকারী প্রখ্যাত ভারতীয়দের সমালোচনা করে বিজেপি নেতা বলেন, তাদের মন অনুপ্রবেশকারীদের জন্য কাঁদে। কিন্তু হিন্দু শরণার্থীদের বেলায় তাদের কোনও জবাব নেই। এটা হলো দ্বিচারিতা।

এর আগে শনিবার দিলীপ ঘোষ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন থেকে চার মাস সময় দেবেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া সবাইকেই সিএএ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ব্যক্তিদের কেবলমাত্র ভারতে প্রবেশের তারিখটা জানাতে হবে। অন্য কোনও কাগজপত্র দেখাতে হবে না। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আসা সবাইকেই নাগরিকত্ব দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে ভারতে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার প্রণীত এই আইনটিকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়েছেন বিরোধীরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী আইনটির বিরোধিতায় অন্যতম জোরালো স্বরে পরিণত হয়েছেন। তবে বিজেপি আইনটির সমর্থনে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ