শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বগুড়ায় ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণে ৫ জন আহত হাফেজদের বিতর্কিত লেখকের বই উপহার ও আইনমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ হেফাজতের ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই: ইসলামী আন্দোলন সমসাময়িক কওমি মাদ্রাসা ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা: মুফতি দিলাওয়ার হোসাইনের সাক্ষাৎকার হজ ২০২৭: যাদের জন্য থাকছে না অংশ নেওয়ার সুযোগ  দানিয়াল মুহাম্মদ আম্মার ফাউন্ডেশনের সিরাত কুইজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার অর্ধলক্ষ টাকার বই কুরআন কি অযোগ্য, নাকি আমরা? ‘গণভোটের রায় উপেক্ষা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এক দফায় যাবে ১১ দল’ নেপালের বন্যার্তদের পাশে জমিয়তনেতা রায়হান ও ছাত্রনেতা জামিল চাঁদপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ল ৫ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান

মসজিদের মিনারে মিনারে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বা যুদ্ধের পতাকা উড়িয়েছে ইরান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহত হওয়ার পর প্রতিশোধের ইঙ্গিত জানিয়ে ইরানের কম প্রদেশের পবিত্র মসজিদসহ বেশ কয়েকটি মসজিদের চূড়ায় ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বা যুদ্ধের লাল ঝাণ্ডা উড়িয়েছে ইরান।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানা যায়, কম প্রদেশের পবিত্র জামকারান মসজিদের সর্বোচ্চ গম্বুজে লাল পতাকা ওড়ায় ইরান। আর ওই ঘটনাটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বলেও জানা যায়। সে ঘটনার আগেই অবশ্য ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস ও সালাহউদ্দিন প্রদেশে মার্কিন সেনাদের বালাদ বিমান ঘাঁটিতে রকেট হামলার ঘটনা ঘটে।

বাগদাদের মার্কিন স্থাপনায় কারা হামলা চালিয়েছে তা এখনও কেউ নিশ্চিত করেনি। তবে ওই হামলায় একযোগে ৫টি রকেট ছোড়া হয়। এতে এখন পর্যন্ত ৫ জন আহত বলে জানা গেছে। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো ইরানের জামকারান মসজিদে রক্তলাল পতাকা ওড়ানো হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে ‘যারা হোসেনের রক্তের বদলা নিতে চায়’।

পতাকাটিকে সোলেমানি হত্যার দায়ে আমেরিকার ওপর ইরানের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্ভাব্য যুদ্ধের হুঁশিয়ারি হিসেবেও দেখা হচ্ছে এ পতাকাকে। শিয়া সংস্কৃতিতে লাল পতাকা অন্যায় রক্তপাতের বদলা নেওয়ার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় নিহত হন ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এলিট কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে সোলাইমানিকে হত্যা করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে পেন্টাগন।

গত মাসে ইরাকের মার্কিন দূতাবাসে ইরানের মদদে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার প্রতিশোধ নিতেই তাকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া বহু বছর ধরেই সোলাইমানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের টার্গেটে ছিলেন। কেননা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের প্রভাব বলয় তৈরির মাস্টারমাইন্ড ছিলেন এই জেনারেল সোলাইমানি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

-এটি