আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) র্যাগিংয়ের দায়ে বহিষ্কৃত ১০ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের করা পৃথক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মুহা. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
শিক্ষার্থীরা হলেন- মির্জা মোহাম্মদ গালিব, জাহিদুল ইসলাম, মুনতাসির আহমেদ, আসিফ মাহমুদ, মো. মুস্তাসিন, আনফালুর রহমান, অর্ণব চৌধুরী, নাহিদ আহমেদ, তানভীর হাসনাইন ও মুহিবুল্লাহ।
আদালতে রিট আবেদনে সাত শিক্ষার্থীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার অনিক আরা হক ও মঞ্জুর নাহীদ। অপর তিনজনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নাহিদ সুলতানা জুথী ও সাকিলা রওশন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নুর উস সাদিক।
নুর উস সাদিক বলেন, হাইকোর্ট রুল সাপেক্ষে ওই আদেশ দিয়েছেন। যদি রুল খারিজ হয়ে যায়, তাহলে শিক্ষার্থীদের শাস্তি বহাল থাকবে। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।
শুনানিতে আদালত জানতে চায় এই সাত শিক্ষার্থী আবরার হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন কি না? এ সময় বুয়েটের পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা আবরার হত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর বুয়েটের শেরেবাংলা হলে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে বুয়েটে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেন শিক্ষার্থীরা। আবরার হত্যার বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনের শর্তের মধ্যে একটি ছিল বুয়েটের আহসানউল্লাহ, সোহরাওয়ার্দী ও তিতুমীর হলে আগে ঘটে যাওয়া র্যাগিংয়ের ঘটনাগুলোতে জড়িতদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা।
-এএ