সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি তুর্কি, কুর্দি ও আরবদের এক কাতারে ঐক্যের আহ্বান এরদোয়ানের ‘জামায়াত আমাদের ক্ষমতার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল’ মসজিদে হারামে কেরাত বিষয়ক প্রথম প্রশিক্ষণ কোর্স উদ্বোধন নবীন আলেমদের নিয়ে ‘দাওয়াহ, লেখালেখি ও সাংবাদিকতা’ কর্মশালা ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির আস-সুন্নাহ কোর্সের শিক্ষার্থীদের ব্যবসায়ী সাফল্য তুলে ধরলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘ইখলাস ও সুন্নাহর অনুসরণ ছাড়া আমল পূর্ণাঙ্গ হয় না’ ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৯ সৌদি বাদশাহর আমন্ত্রণে ওমরা পালনে যাচ্ছেন ৩০ বাংলাদেশি

কক্সবাজার সৈকতে সব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাবনী পয়েন্ট থেকে কলাতলী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় হোটেল-মোটেলসহ অবৈধ সব স্থাপনা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

সোমবার (২৩ ডিসেম্বের) সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক রায়ে এ আদেশ দেয়া হয়। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রায়ে আদালত বলেছেন, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সমুদ্র তীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সরকারকে নীতিমালা তৈরি করতে হবে। একইসঙ্গে নতুন করে কাউকে সমুদ্র তীরে লিজ না দেয়া হয় সে বিষয়ে সরকারকে নজর রাখতে হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, এ রায় একটি মাইলফলক, অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করা হবে। এ রায় মানা না হলে, সরকার আদালত অবমাননার মামলা করবে।

তবে আদালতের এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে হোটেল মালিকদের আইনজীবী ব্যারিস্টার ইমরানুল কবীর বলছেন, এতে পর্যটক কমে যাবে কক্সবাজারে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে কক্সবাজারের পর্যটন।

১৯৯৯ সালে সৈকতের লাবনী-কলাতলী পর্যন্ত এলাকা প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। সেই গেজেট অমান্য করে লিজ দেয়ায় সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দিয়েছেন। কিন্তু সেই গেজেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওই এলাকায় গড়ে তোলা হয় একের পর এক স্থাপনা।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ