সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ ।। ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২২ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেতন ছাড়ের দাবিতে আমরণ অনশনে ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষকরা আল্লামা গহরপুরীকে নিয়ে এমপি এম এ মালেকের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা সড়ক প্রশস্তকরণে ভারতে মসজিদ ভাঙন, ব্যাপক পুলিশি নিরাপত্তা ‘যুবশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কাজ করছে ১১০ প্রতিষ্ঠান’  কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২, আহত ৬ হজের সফর শেষে স্বাস্থ্য সচেতনতায় করণীয় এক দিনে হাম ও উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইইউভুক্ত দেশগুলোতে খাদ্যপণ্য রফতানি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী যারা হিন্দু-মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা চরমভাবে ব্যর্থ হবে: ইন্দ্রেশ কুমার ২০২৭ সালের হজের রোডম্যাপ প্রকাশ

আ. লীগের গঠনতন্ত্রে নারী নেতৃত্বের সংশোধন আইনসিদ্ধ হয়নি: সিইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সদ্যসমাপ্ত আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে নারী নেতৃত্ব নিয়ে যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তা আইনসিদ্ধ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেছেন, রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে কী পরিবর্তন আনা হয়েছে, সেটা কমিশনের বিষয় নয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, ২০২০ সালের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্বের প্রতিনিধি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। আইন পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত কমিশন সেটাই অনুসরণ করবে।

গত শনিবার দলের সব স্তরে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব পূরণে ২০২০ সালের পরিবর্তে এক বছর বাড়িয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সিইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী দলগুলোকে ২০২০ সালের মধ্যে সব স্তরে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণ করতে হবে। দল কীভাবে কী করছে, সেটা তাদের ব্যাপার। কোনো দল যদি শর্তটি পূরণ করতে না পারে, তখন কমিশন বিবেচনা করবে। এত অগ্রিম কিছু বলা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, সব দল যদি পূরণ করতে না পারে তখন কমিশন আইন পরিবর্তনের কথা বিবেচনা করবে। সেটার সময় এখনও আসেনি।

এ সময় অন্য চার কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী ও ইসি কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মুহা. আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনের আগে সেনা সমর্থিত সরকারের আমলে ড. শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন আরপিওতে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত হিসেবে নারী নেতৃত্বের এই ধারা যুক্ত করে। অধ্যাদেশের মাধ্যমে জারি করা এই আইন মেনেই তৎকালীন রাজনৈতিক দলগুলো ইসির নিবন্ধন পায়।

নির্বাচনে জয়লাভের পরে আওয়ামী লীগ সরকার সংসদে ওই অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেয়। যদিও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিসহ কোনো দলই এই শর্ত এখন পর্যন্ত পূরণ করতে পারেনি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ