মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬ ।। ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
উপনির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর বগুড়া সফর স্থগিত মসজিদুল হারামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল চার্জিং স্টেশন চালু রমজানে বাংলাদেশের জন্য সৌদির বিশেষ কর্মসূচি ‘নারী ও শিশুর প্রতি নৃশংসতা রোধে অপরাধের শাস্তি দৃশ্যমান ও কঠোর হতে হবে’ দিনে তিন বার মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত ডিএনসিসির প্রখ্যাত বক্তা মাওলানা হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী আর নেই নদী তীরবর্তী এলাকায় জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  ঈদযাত্রায় অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটবেন যেভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বাহরাইনের রাজার শোক প্রকাশ ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ইশা ছাত্র আন্দোলনের সংহতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গত ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ ভারতের নাগরিকত্ব বিল সংশোধন‘১৯ আইন হিসেবে পাস করা হয়। এরপর থেকেই আসাম-কলকাতাসহ ভারতের প্রতিটি রাজ্যেই বিক্ষোভের দাবানল জ্বলে ওঠে। ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও প্রতিবাদী হয়ে রাজপথে বিক্ষোভ করে জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা এই আইনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে পুলিশের রোষানলে পড়ে।

ভারতীয় গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বরাতে জানা যায় পুলিশ বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতার উপর বর্বরোচিত আক্রমণ করে। এতে বহু শিক্ষার্থী আহত হয় এবং অসংখ্য ছাত্রীরা নিপীড়নের শিকার হয়। এছাড়াও জামিয়া মিল্লিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশি আক্রমণের প্রতিবাদে ভারতের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ভারতীয় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উপর অমানবিক আক্রমণ করে।

উক্ত ঘটনার প্রতিবাদে আজ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পশ্চিম এর উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাছিবুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ভারতে নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি। শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রখ্যাত ভারতীয় সরকারের চরম ফ্যাসিবাদী আচরণের বহিঃপ্রকাশ। এছাড়াও তিনি বলেন এনআরসিসহ এই নাগরিকত্ব বিল ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানের ১৪তম অনুচ্ছেদের স্পষ্ট লঙ্ঘন। যা খোলাখুলি নাগরিক বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা এবং প্রত্যক্ষ মুসলমান বিদ্বেষ ও জাতিগত বৈষম্য। যা বিজেপি-আরএসএস এর উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক কূটকৌশলের বহিঃপ্রকাশ।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারতবর্ষের স্বাধীনতার অন্যতম কারিগর ছিলেন বিপ্লবী মীর কাশেম, টিপু সুলতান, সর্বভারতীয় নেতা আহমদ উল্লাহ, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ, নিসার আলী তিতুমীর প্রমূখ বিপ্লবী মুসলিম নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথি অবিলম্বে এই মুসলিম বিদ্বেষী নাগরিকত্ব আইন বাতিল এবং চলমান ছাত্র নির্যাতন বন্ধ করতে ভারত সরকারের প্রতি দাবি জানান।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ