বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

ধামরাইয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জসহ ২ পুলিশ ক্লোজড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকার ধামরাইয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ইজিবাইক জব্দের পর তা বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগে কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (২৭ নভেম্বর) রাতে তাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা।

এর আগে একই দিন বিকেলে ইজিবাইক বিক্রি করার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রাথমিক সত্যতা যাচাই শেষে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

প্রত্যাহারকৃত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শামীম।

জানা যায়, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ধামরাই উপজেলার জালসা গ্রামের তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে রমজান আলী নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়। এক পর্যায়ে ডাকাতেরা আশপাশের তিনটি বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায়। পরে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ ঘটনায় ধামরাই থানায় হত্যা ও ডাকাতির পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেন। এছাড়া তিনি জিরানি এলাকায় একটি ইজিবাইকের গ্যারেজ থেকে এএসআই শামীমকে সঙ্গে নিয়ে ডাকাতদের ব্যবহৃত তিনটি ইজিবাইক উদ্ধার করেন।

এরপর উদ্ধারকৃত ইজিবাইকগুলো ফাঁড়িতে রাখা হলেও পরবর্তীকালে সেগুলো আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এর পরপরই ফাঁড়ির ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ইজিবাইক তিনটি বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ