শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১৮ পৌষ ১৪৩২ ।। ১৩ রজব ১৪৪৭


দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগের প্রশ্ন যা বললেন সচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের পদত্যাগের প্রশ্ন কেন আসছে, সেটা বুঝতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেছেন দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত।

মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গতকাল সোমবার সাংসদ শেখ ফজলে নূর তাপস দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ গণমাধ্যমকর্মীরা এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে দুদক কার্যালয়ে যান।

এ সময় দুদক সচিব বলেন, আমরা কালকের সংবাদে দেখেছি যে কমিশন শপথ ভঙ্গ করেছে, এমন বক্তব্য এসেছে। আমাদের কোনো কমিশনার বা চেয়ারম্যান শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নাই। মামলার তদন্ত বা অভিযোগ অনুসন্ধান আমাদের তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন। এর দায়দায়িত্ব কমিশন বা চেয়ারম্যানের ওপর বর্তায় না। সুতরাং এ ক্ষেত্রে পদত্যাগের প্রশ্ন কেন আসছে বুঝতে পারছি না।

সাংসদ শেখ ফজলে নূর তাপস গতকাল বলেছেন, যদি দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হন তাহলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত। বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির পর এখন পর্যন্ত ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাচ্চুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ার প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওই মন্তব্য করেন সরকারদলীয় এই সাংসদ।

আজ দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে দুদক সচিব বলেন, আপনারা যে মামলার কথা বলেছেন সেগুলো জটিল প্রকৃতির মামলা। সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার মধ্যে বেশিরভাগ টাকাই নগদ উত্তোলন হয়েছে, এ টাকাগুলো কোথায় ব্যবহার হয়েছে কিংবা জমা হয়েছে আমাদের কর্মকর্তারা তা বের করতে পারেননি। তদন্ত কর্মকর্তারা টাকার লিংক খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত টাকা কোথায় গেছে, কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়েছে, তার লিংক বের করা সম্ভব না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।

দুদক সচিব বলেন, এ টাকাটা যখন চেকে নিয়েছে, উত্তোলন করার পরে টাকা যদি ব্যাংকে রাখা হত তাহলে উৎস পাওয়া যেত। টাকা নিয়ে একেকজন একেক কাজে ব্যবহার করেছে, সেখানে মানি লন্ডারিং হয়েছে। কাজেই অর্থের উৎস খুঁজতে গিয়ে অনেক সময় বিলম্ব হয়ে থাকে।

ব্যাংকটির তৎকালীন চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুকে কেন মামলায় আসামি করা হয়নি জানতে চাইলে দুদকের এ কর্মকর্তা বলেন, অর্থের উৎস, অর্থ কোন জায়গায় ব্যবহার হয়েছে, কোথায় সম্পদ হিসেবে কনভার্ট হয়েছে- সেগুলো নিষ্পত্তি শেষে বা যাকে আইনের আওতায় আনার মতো তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যাবে, তাকে চার্জশিটভুক্ত করা হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ