আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাজ্যে সফররত বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর নারী ও যুব সমাজকে ই-কমার্সে উদ্বুদ্ধ করতে কমনওয়েলথেই পদক্ষেপ নিতে হবে। ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার সঠিক ও নিরাপদ হওয়া প্রয়োজন। গত বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) লন্ডনের মার্লবোরো হাউজে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর বাণিজ্যমন্ত্রীদের সম্মেলনে বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।
রোববার (১৩ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকসী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অনেক সময় পারস্পরিক বিশ্বাস ও সংহতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। তাই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু প্রটোকল থাকা প্রয়োজন, এক্ষেত্রে কমনওয়েলথে ভূমিকা রাখতে হবে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সেক্টরকে তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরে এগিয়ে যেতে সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন এই সেক্টরে বিপুল দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও কর্ম সম্পাদনের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভিসা পদ্ধতি সহজ হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিশ্ববাণিজ্য সহজ ও প্রসার করতে এবং বাণিজের ক্ষেত্রে জটিলতা দূর করে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো, ক্রস বর্ডার পেপারলেস ট্রেড ইনেশিয়েটিভ, ক্রিয়েশন অফ ডিজিটাল ট্রেড অ্যান্ড মার্কেট প্লেস বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটজাত পণ্য এবং পর্যটন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করতে পারেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে অনেক বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের উপযুক্ত স্থান। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য যৌথ বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অনেক ব্রিটিশ বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত ক্ষেত্র যাচাই-বাছাই করছেন।
-এএ