সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

আবরারের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ কয়েদি-হাজতিরা কারাগারেই পেটাল অনিককে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার বুয়েটেরই আরেক ছাত্র অনিক সরকারকে কারাগারে পিটিয়েছে আসামিরা। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছাতেই ক্ষুব্ধ বন্দীরা হামলে পড়ে অনিকের ওপর। পরে কারারক্ষীদের চেষ্টায় রক্ষা পান অনিক।

কারা সূত্র বলছে, আবরারের মতো মেধাবী ছাত্রের এমন নির্মম মৃত্যু অন্য সব সাধারণ মানুষের মতো মেনে নিতে পারেননি কারাবন্দী কয়েদি এবং হাজতিরা। মদ্যপ অবস্থায় অনিক কয়েক দফায় আবরারকে মারধর করেছিল। গুরুতর অবস্থায় আবরার দুই দফা বমি করলেও অনিকের ভয়ংকর রূপ থেকে রক্ষা পায়নি মৃতপ্রায় আবরার। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ হত্যাকাণ্ড ফলাও করে প্রচার হওয়ায় এর খুঁটিনাটি জানতে পারেন কারাবন্দীরাও।

আরবার হত্যার পর দিনই অনিককে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। প্রথম দফা রিমান্ড শেষে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। তবে আদালতে যাওয়ার পর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিতে সম্মত হয় সে।

পরবর্তীতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলামের আদালতে জবানবন্দি শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় কেরানীগঞ্জ আদালতে পৌঁছে অনিক সরকারকে বহন করা প্রিজন ভ্যান। আনুষ্ঠনিকতা শেষে প্রধান ফটক দিয়ে কারাগারে প্রবেশ করে সে। কারাগারের সেলে ঢোকার সময়ই তাকে মারধর করেন কারাবন্দীরা। পরে তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।  যদিও এ বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি কারা কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হল থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। পরের দিন সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন এজাহারনামীয় আসামি।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ