শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

মুরগি ড্রেসিং করার ইসলামি নীতিমালা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রযুক্তির কল্যাণে মুরগির পশম ছাড়াতে হাতের ব্যবহার করা লাগে না। মুরগির পশম ছাড়াতে ড্রেসিং করা হয়। মুরগি কোন পদ্ধতিতে ড্রেসিং করলে তা হালাল হবে এবং কোন পদ্ধতিতে ড্রেসিং করলে হালাল হবে না জানেন না অনেকেই। না জানার কারণে হালাল জিনিসও আমাদের হারাম হয়ে যাচ্ছে। আধুনিক মাসয়ালা হিসেবে সব মুসলমানদের এ মাসয়ালা জানা উচিত। তাই আওয়ার ইসলামের পাঠকদের জন্য তা উল্লেখ্য করা হলো।

মাসয়ালা: মুরগি গরম পানিতে চুবিয়ে ড্রেসিং করার যে পদ্ধতি চালু আছে, তার মধ্যে কিছু পদ্ধতি এমন আছে, যার মাধ্যমে মুরগি একেবারেই হারাম হয়ে যায়। আবার কিছু পদ্ধতি এমন আছে যার দ্বারা মুরগি হারাম হয় না।

হালাল পদ্ধতি: জবেহের পর মুরগির ভিতর-বাহিরের সব ময়লা বের করে গরম পানিতে চুবিয়ে ড্রেসিং করলে হালাল হবে।

হারাম পদ্ধতি: মুরগির ভিতরের ময়লাসহ চুবানোর কারণে ময়লা-আবর্জনার ক্রিয়ায় গোশতের স্বাদ-ঘ্রাণে পরিবর্তন হয়ে গেলে তা খাওয়া জায়েজ হবে না। তবে গরম পানিতে চুবানোর সাথে সাথেই তুলে ফেলায় ময়লা-আবর্জনার ক্রিয়ায় গোশতের স্বাদ-ঘ্রাণ পরিবর্তন না হলে তা হালাল হবে।

বি.দ্র. ড্রেসিংয়ের পানি আগে থেকে মুরগির রক্ত বা বিষ্ঠা বা অন্য কোন কারণে নাপাক হয়ে থাকলে, সেই নাপাক পানিতে চুবানোর কারণে গোশতের স্বাদ-ঘ্রাণে পরিবর্তন হলে, সেই মুরগি হারাম হবে। গোশতের স্বাদ-ঘ্রাণে পরিবর্তন না হলে খাওয়া যাবে। - (ফাতওয়ায়ে শামি ১/৫৪৪,আহসানুল ফাতাওয়া ২/৯৬)

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ