আওয়ার ইসলাম: অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় যুবলীগ নেতা ও ইয়াংমেন্স ক্লাবের মালিক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার আরও ১০ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
গতকাল শুক্রবার রিমান্ড শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ দিদার হোসাইন এ আদেশ দেন।
এদিন মামলা দুটি তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার র্যাব-৩ বেলায়েত হোসেন আসামি খালেদকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত স্বার্থে অস্ত্র ও মাদক মামলায় ফের ১০ দিন করে ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আদালতে খালেদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী লিয়াকত আলী লিটন, হাসানসহ কয়েকজন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আজাদ রহমান।
গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রকিবুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় করা অস্ত্র ও মাদকের পৃথক দুই মামলায় সাতদিনের রিমান্ডে নেয়া হয় যুবলীগ নেতা খালেদ হোসেন ভূঁইয়াকে। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় চারদিন এবং মাদক মামলায় তার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে অস্ত্রসহ আটক করে র্যাব। আটকের পর তাকে র্যাব-৩ এর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের সময় খালেদের বাসা থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা, লকার থেকে ১০০০, ৫০০ ও ৫০ টাকার বেশ কয়েকটি বান্ডিল উদ্ধার করা হয়। সেগুলো গণনার পর ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া ডলারেরও বান্ডিল পাওয়া যায়।
টাকায় তা ৫-৬ লাখ টাকা হবে বলে জানায় র্যাব। এছাড়া তার কাছ থেকে মোট তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। যার একটি লাইসেন্সবিহীন, অপর দুটি লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে রাখা হয়েছিল।
আসামি দীর্ঘদিন নিজ হেফাজতে অবৈধ অস্ত্র রেখে মাদক, ইয়াবা ব্যবসাসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে আসছিলেন বলে জানা যায়।
উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ, অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যের সঙ্গে জড়িত সহযোগী আসামিদের বিষয়ে তথ্য, নাম-ঠিকানা উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার ও ব্যাপক পুলিশি অভিযান পরিচালনার জন্য আসামিকে রিমান্ডে পাওয়া একান্ত প্রয়োজন। অস্ত্র ও মাদকের এ দুটি মামলা ছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মামলা করা হয়েছে। মানি লন্ডারিংসহ বাকি দুই মামলায় আসামিকে এখনও গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়নি।
-এটি