সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১৩ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: শেহবাজ শরিফ ইরানের নতুন নেতারা কথা বলতে চায় বলে দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান হামলা সামনের দিনগুলোতে আরও তীব্র হবে: নেতানিয়াহু ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় কঠোর হমলা চলবে: ইরানের প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সৌদি আরব বাড়ল ওয়াসার এটিএম বুথের পানির দাম যুদ্ধ বন্ধে অবিলম্বে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জমিয়তের প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন খামেনি হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিলো হিজবুল্লাহ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর নামে প্রতারণা, সাবধান করল ইফা

'অসদাচরণে অভিযুক্ত' বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধান বিচারপতিই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর থেকে ছুটিতে গেছেন হাইকোর্টের তিন বিচারক।

তদন্তের ক্ষেত্রে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল না থাকায়, এখন রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি-ই এদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন, বলছেন বিশ্লেষকরা। এর আগেও হাইকোর্টের চার বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তারা আর ফিরে আসেননি বিচারিক কার্যক্রমে।

সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলেই বিচারকদের যে কোন অসদাচরণ, দুর্নীতি তদন্তের ভার ছিলো। তবে, এটি এখন না থাকায় রাষ্ট্রপতির পরামর্শে প্রধান বিচারপতিই উচ্চ আদালতের বিচারকদের দুর্নীতি তদন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন।

কারণ সংবিধান অনুযায়ি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার আছে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টে।

হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা উল হক ও বিচারপতি একেএম জহুরুল হককে বিরুদ্ধে সম্প্রতি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে বিচারিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় তদন্ত প্রক্রিয়া কিভাবে এগিয়ে যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এর আগেও উচ্চ আদালতের চারজন বিচারকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছিল। এদের মধ্যে দুইজনকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল চাকুরীচ্যুত করে। পরে একজন এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।

আপিল বিভাগ পরে কাউন্সিলের দেয়া বরখাস্তের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। বাকি দুইজন তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দুর্নীতি, অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করছে দুনীতি দমন কমিশন-দুদক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ