রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বিদেশি আলেমদের বাংলাদেশ সফর নিয়ে দুটি কথা রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো ‘ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মিট-আপ ২০২৬’ ময়মনসিংহের শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে এমপি মুফতি মোহাম্মদুল্লাহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের বিরুদ্ধে গণক্ষোভ বিস্ফোরিত হবে’ পরিবারিক শান্তি ও নিরাপদ দাম্পত্য নিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ইলিশের প্রজনন রক্ষায় জেলেদের নৌকা-জাল জমা নেওয়ার প্রস্তাব দ্রুত বাড়ছে তিস্তার পানি, ভাঙন আতঙ্কে ৯ গ্রামের মানুষ সিলেটে মাইকিং করে সংঘর্ষে জড়ালেন দুই গ্রামের বাসিন্দারা, আহত ৩০ সুন্দরবনে ১৫ জন অপহরণের ঘটনায় আতঙ্কে জেলে-মহাজন বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে মা-ছেলের মৃত্যু 

'অসদাচরণে অভিযুক্ত' বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধান বিচারপতিই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর থেকে ছুটিতে গেছেন হাইকোর্টের তিন বিচারক।

তদন্তের ক্ষেত্রে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল না থাকায়, এখন রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি-ই এদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন, বলছেন বিশ্লেষকরা। এর আগেও হাইকোর্টের চার বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তারা আর ফিরে আসেননি বিচারিক কার্যক্রমে।

সংবিধান অনুযায়ী সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলেই বিচারকদের যে কোন অসদাচরণ, দুর্নীতি তদন্তের ভার ছিলো। তবে, এটি এখন না থাকায় রাষ্ট্রপতির পরামর্শে প্রধান বিচারপতিই উচ্চ আদালতের বিচারকদের দুর্নীতি তদন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন।

কারণ সংবিধান অনুযায়ি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এছাড়া রাষ্ট্রপতির পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার আছে জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টে।

হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা উল হক ও বিচারপতি একেএম জহুরুল হককে বিরুদ্ধে সম্প্রতি দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে বিচারিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সুনির্দিষ্ট বিধি না থাকায় তদন্ত প্রক্রিয়া কিভাবে এগিয়ে যাবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এর আগেও উচ্চ আদালতের চারজন বিচারকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছিল। এদের মধ্যে দুইজনকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল চাকুরীচ্যুত করে। পরে একজন এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন।

আপিল বিভাগ পরে কাউন্সিলের দেয়া বরখাস্তের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। বাকি দুইজন তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দুর্নীতি, অসদাচরণের অভিযোগ তদন্ত করছে দুনীতি দমন কমিশন-দুদক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ