রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত: মির্জা ফখরুল গতানুগতিক শিক্ষার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো’  ক্ষুধা-তৃষ্ণায় বিপন্ন গাজার লাখো মানুষ নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কওমীপিডিয়ার তালিকায় দেশের শীর্ষ ৫ প্রভাবশালী আলেম আওয়ার ইসলামে শুরু হচ্ছে নিয়মিত আয়োজন ‘পেপসা নিবেদিত তারুণ্যের ভাবনা’ কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশনে ৯ দফা প্রস্তাব গৃহীত জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

ভারতে শান্তি ও ঐক্যের আহ্বানে কলকাতায় উলামায়ে হিন্দের সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম ♦ 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জমিয়তে উলামা হিন্দ কলকাতার রবীন্দ্র সদনে শান্তি ও ঐক্যের আহ্বানে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে দেশে শান্তি, সম্প্রীতি, ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে জমিয়ত।

সম্মেলনে রাজ্যের জনশিক্ষা প্রসার, গ্রহণ দফতরের মন্ত্রী ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের রাজ্য সভাপতি মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, প্রকৃত ধর্মে হিংসা-বিদ্বেষ শেখায় না। ভারত সুবিশাল দেশ। এখানে ১৩০ কোটি মানুষে বাস।

তিনি বলেন, প্রত্যেক জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মকর্তা নিযুক্ত করতে হবে যারা গণপিটুনির বিষয়ে নজর রাখবেন। আমরা চাই প্রত্যেক রাজ্যে তাদের বিরুদ্ধে সরকার আইন পাস করুক। যারা ধর্মের নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে, রাষ্ট্রের নামে দাঙ্গা করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন তৈরি হােক।

চৌধুরী সাহেব আরও বলেন, ভারতের সহিষ্ণুতা ঐতিহ্য হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমেরিকার গােয়েন্দা রিপোর্টে বলছে তারা সব থেকে বড় সন্ত্রাসী দল! এটা আমার আপনার রিপাের্ট নয়, এটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গােয়েন্দাদের রিপাের্ট। দেশের যে কতখানি ক্ষতি তারা করেছে সেই দিকে কর্নপাত নেই তাদের।

সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী স্বাধীনতা আন্দোলনে জমিয়তের হিন্দের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের প্রাচীণ দায়িত্বপূর্ণ সংগঠন। নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর তাইপাে শিশির বন্ধু বলেছিলেন, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ আন্দোলনের ডাক না দিলে ভারতের স্বাধীনতা একশ বছর পিছিয়ে যেত। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হত না।

তিনি বলেন, আমরা ভারতকে ভালোবাসি! আমরা মৃত্যুর পরেও এখানকার মাটিতে কয়েক হাত নিচে শুয়ে থাকবো। মারা যাওয়ার পরেও আমরা ভারতকে ছেড়ে যাই না। আমার আমাদের ইমান নিয়ে আমাদের অধিকার নিয়ে এখানে বেঁচে থাকতে চাই।

সম্মেলনে কেন্দ্রীয় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সাধারণ সম্পাদক হজরত মাওলানা মাহমুদ মাদানি, কাতার ঐতিহ্যবাহী রেড রোডের ইমাম, বিশিষ্ট আলেম ফজলুর রহমান, বৌদ্ধ ভিক্ষুক, খ্রিস্টান পাত্রি ,পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যা লঘু সেলের সভা কমিটির সদস্য  জমিয়তের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন সম্মেলনে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ