শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
জান্নাতের নেয়ামতের অপূর্ব বর্ণনা দিলেন মসজিদে নববীর খতিব জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিকের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ কওমি মাদরাসার মানোন্নয়ন ও অপপ্রচার মোকাবিলায় ঢাকায় মুহতামিম সম্মেলন সোমবার উচ্চাকাঙ্ক্ষা মুমিনের ঈমানি চেতনারই অংশ: মসজিদে হারামের খতিব রশীদ আহমদ ফেরদৌসের স্মরণে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে: লতিফ ‌‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের’ সেনাপ্রধানদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত ‘নিউইয়র্ক সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ প্রধানমন্ত্রীর ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত’ দেশি পেয়ারা: দামে কম, পুষ্টিতে সেরা

বাংলাদেশ ও ভারতের সংখ্যালঘু সমাচার!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জহির উদ্দিন বাবর । । 

বাংলাদেশ আর ভারত পাশাপাশি রাষ্ট্র। এখানে হিন্দুরা সংখ্যালঘু আর ওখানে মুসলিমরা। এখানে ১২ শতাংশ সংখ্যালঘু, সরকারি চাকরিতে তারা দখল করে আছেন ২৫ শতাংশ পদ। আর ওখানে ১৪ শতাংশ মুসলিম, সরকারি চাকরিতে তাদের অংশ মাত্র এক শতাংশের একটু বেশি।

স্বাধীনতার ৪৮ বছরে ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এমন ঘটনা সম্ভবত এক-দুটিও নেই। কোনো হিন্দুকে জোর করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলানো হয়েছে এমন ‘কুনজির’ একটাও পাওয়া যাবে না। ভারতে শুধু মোদি সরকারের আমলেই ধর্মীয় কারণে মুসলিম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে শত শত। প্রকাশ্যে পিটিয়ে মারা হয়েছে অনেককে। জোর করে তাদের দেব-দেবীর নামে স্লোগানে বাধ্য করার মতো ঘটনা তো গত কয়েক মাসেই ঘটেছে অসংখ্য।

যারা কথায় কথায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের কথা বলেন তারা একটু চোখ বুলিয়ে দেখে আসবেন ভারতে। সেখানকার সংখ্যালঘু মুসলিমরা রাষ্ট্রের কয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত? খুঁজে বের করতে বেগ পেতে হবে। আর বাংলাদেশে এখন প্রশাসন, বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে সংসদ পর্যন্ত তাদের উপস্থিতি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

মাত্র সেদিন শিল্পকলা একাডেমি পদক দিয়েছে সরকার। এবার পদকটি পেয়েছেন সাতজন। এর মধ্যে ছয়জনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। ৯০ ভাগ মুসলমানের প্রতিনিধি হিসেবে মাত্র একজন ‘সৌভাগ্যবান’ পেয়েছেন পদকটি। কই এটা নিয়ে কেউ কি কোনো প্রশ্ন তুলেছে! সুতরাং বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যতটা সুবিধা ভোগ করছে, তারা যতটা দাপটের সঙ্গে সবখানে বিচরণ করছে তা অনেক ক্ষেত্রে সংখ্যাগুরু মুসলিমরাও পাচ্ছেন না।

ভারতবর্ষ মুসলিমরা শাসন করেছে প্রায় হাজার বছর। ভারতের প্রতিটি ধূলিকণার সঙ্গে মিশে আছে মুসলিম ঐতিহ্য। দু’শ বছর ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে মূল লড়াইটা চালিয়েছেন মুসলিমরা। দেশের জন্য ত্যাগের কথা বললে এখানকার সংখ্যালঘুদের চেয়ে ওখানকার সংখ্যালঘুরা অনেক এগিয়ে। অথচ প্রাপ্তি আর অধিকারের বিচারে ওখানকার সংখ্যালঘুরা কতটা পিছিয়ে!!

লেখক : সভাপতি, ইসলামী লেখক ফোরাম

(ফেসবুক থেকে নেওয়া)