বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের লিডারশিপ প্রশিক্ষণ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত জামি'আ ইকরায় উচ্চতর উলুমে হাদিস বিভাগের যাত্রা শুরু সংবিধান উপেক্ষা করে কাশ্মীরে মসজিদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ শুরু ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন: খেলাফত মজলিস ‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই

রেডিও শুনে শুনেই হাফেজ হলেন অন্ধ শিশুটি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: ছেলে জন্মান্ধ তাই দুঃখবোধ থেকে  বাচ্চাছেলেকে একটি রেডিও কিনে দেন বাবা মুহাম্মদ তাহির। আর এ রেডিওর মাধ্যমেই পুরো জীবন পালটে যায় পাঁচ বছরের জন্মান্ধ বাচ্চা হোসেন মুহাম্মদ তাহিরের।

হোসেন মুহাম্মদ তাহিরের জন্ম মিয়ানমারে। জন্মের পরপরই জেদ্দায় তার বাবার কাছে চলে আসে সে। ছেলে জন্মান্ধ হওয়ায় সময় কাটানোর জন্য একটি রেডিও কিনে দেন বাবা।

মুহাম্মদ তাহির জানান, রেডিও কিনে দিয়ে ২৪ ঘণ্টা কুরআন তেলাওয়াত শোনানো হয় এমন একটি চ্যানেলে ফ্রিকোয়েন্সি সেট করে দেন তিনি। ২৪ ঘণ্টা এই তেলাওয়াত শুনতে শুনতেই কুরআনে হাফেজে পরিণত হয় শিশু হোসেন মুহাম্মদ তাহির।

তবে বাবা তখনও ছেলের এ কীর্তির কথা জানতেন না। ছেলের পাঁচ বছর বয়সে তাকে নিয়ে জেদ্দা থেকে মদিনায় গমন করেন তিনি। সেখানে যাওয়ার পর মসজিদে নববিতে যাওয়ার আবদার করে ছেলে।

বাবা মুহাম্মদ তাহির জানান, তখন আমি অনেকটা মজা করেই তাকে বলি যে, যদি তুমি সূরা বাকারার কয়েকটি আয়াত মুখস্ত বলতে পারো তাহলে তোমাকে মসজিদে নববিতে নিয়ে যাবো। ছেলে তৎক্ষণাৎ পুরো সূরা বাকারা মুখস্ত তেলাওয়াত করে শোনায় বাবাকে।

বিষ্মিত বাবা সঙ্গে সঙ্গেই ছেলেকে নিয়ে কয়েকজন আলেম ও হাফেজের কাছে যান। তারা জানান, তার ছেলের কুরআন পড়া শুদ্ধ আছে।

একইসাথে তারা সবাই হোসেন মুহাম্মদ তাহিরকে কোরআন মুখস্থ করার কিছু পদ্ধতি শিখিয়ে দেন। তার কিছুদিন পরেই বাচ্চাটি কুরআনে হাফেজ হয়।

বাবা মুহাম্মদ তাহির বলেন, আমি ছেলের অন্ধত্ব নিয়ে কষ্টে ছিলাম। কিন্তু এখন আমি আমার কষ্টের কথা ভুলে গিয়েছি। আমার কোনো কষ্ট নেই। এখন আমি আমার ছেলেকে নিয়ে গর্বিত।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ