শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গতানুগতিক শিক্ষার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো’  ক্ষুধা-তৃষ্ণায় বিপন্ন গাজার লাখো মানুষ নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কওমীপিডিয়ার তালিকায় দেশের শীর্ষ ৫ প্রভাবশালী আলেম আওয়ার ইসলামে শুরু হচ্ছে নিয়মিত আয়োজন ‘পেপসা নিবেদিত তারুণ্যের ভাবনা’ কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশনে ৯ দফা প্রস্তাব গৃহীত জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত আগস্টের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের দাবি

মিশর ও জর্ডানকে মার্কিন পরিকল্পনা সমর্থন না দেয়ার অনুরোধ ফিলিস্তিনের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে কথিত ডিল অফ দ্যা সেঞ্চুরি নিয়ে আয়োজিত বিশেষ সম্মেলনে মিশর ও জর্ডানকে যোগ না দিতে অনুরোধ করেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।

ফিলিস্তিন মনে করে এই ডিল অফ দ্য সেঞ্চুরি ইসরাইলি স্বার্থ রক্ষায় প্রণয়ন করা হয়েছে। তাই দীর্ঘ সময় ধরে ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি আলোচনায় যুক্ত থাকা আরব রাষ্ট্র মিশর ও জর্ডানের এ সম্মেলনে যোগ দেয়া হবে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেয়া।

ইতিমধ্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতার এ সম্মেলনে যোগ দেবে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাই বাকি থাকা মিশর ও জর্ডানকে এ সম্মেলনে যোগ না দিতে অনুরোধ করে যাচ্ছে ফিলিস্তিন।

ফিলিস্তিনের ভবিষ্যত নির্ধারণ নিয়ে একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যান্য আরব রাষ্ট্রগুলো ওই সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে নিশ্চিত হওয়ার পর ফিলিস্তিন সরকারের মুখপাত্র ইব্রাহিম মেলহেম ফেসবুকে লেখেন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ মিশর ও জর্ডানকে বাহরাইনের ওই সম্মেলনে যোগ না দেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। এখনো যারা ফিলিস্তিনকে বন্ধু মনে করে তারা এই সম্মেলন বর্জন করুন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আরব রাষ্ট্রগুলো ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে অংশ নিলে তা ফিলিস্তিনের অবস্থানকে দুর্বল করে দেবে।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শেষ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের অনুরোধ সত্যেও মিশর ও জর্ডান যুক্তরাষ্ট্রের সম্মেলনে অংশ নেবে। দেশ দুটির ওপরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক প্রভাবকেই এর কারণ মনে করছেন তারা।

আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের একজন বিশ্লেষক তারেক ব্যাকনি বলেন, এটি ফিলিস্তিনিদের জন্য সত্যিকার অর্থেই হতাশার। তাদের অনুরোধ কোনো আরব রাষ্ট্রই শুনছে না। ইসরাইলের পর সবথেকে বেশি মার্কিন সামরিক সাহায্য পায় মিশর। ২০১৮ সালেই দেশটি ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মার্কিন সামরিক সাহায্য পেয়েছে। জর্ডানও প্রায় ৪৪৩ মিলিয়ন ডলার সামরিক সাহায্য পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।

এতে ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে নানা পরিকল্পনা গ্রহনে ওই সম্মেলনে অংশ নেবে আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধিরাও। ইতিমধ্যে হোয়াইট হাউজের কাছে নিজেদের যোগ দেয়ার কথা নিশ্চিত করেছে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ