শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৯ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

রমজানের বাইরে মুসুল্লিদের মসজিদমুখী করতে মসজিদভিত্তিক পাঠাগার তৈরি জরুরি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

চলছে রমজান মাস। ‘ইসলাম ও রমজান ভাবনা’ নিয়ে জামিয়া মাহমুদিয়া ইসলামিয়া কেরানীগঞ্জ মাদরাসার উস্তাদ মুফতী ইকরাম হুসাইন এর মুখোমুখি হয়েছেন আওয়ার ইসলাম আয়োজিত ‘লেখালেখি ও সাংবাদিকতা কোর্স’ এর শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম।সাক্ষাৎকারটি আওয়ার ইসলাম পাঠকদের জন্য পরিবেশন করা হলো।

আওয়ার ইসলাম : রমজান মাসকে এবাদতের বসন্তকাল হিসেবে আমরা জানি। এ মাসে কোন কোন আমল বেশি করা দরকার?মুফতী ইকরাম হুসাইন : ইবাদতের বসন্তকালের মাসে ফরজ হুকুমের পাশাপাশি যেসব আমল বেশি করলে ভালো হয় তা হলো,
১. শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা।
২. মিসওয়াক করার প্রতি গুরুত্ব দেয়া।
৩. তাহিয়্যাতুল উযু আদায়ে যত্নবান হওয়া।

৪. লা ইলাহ ইল্লাল্লাহ ও সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহীসহ অন্যান্য মাসনুন জিকির বেশি বেশি পাঠ করা।
৫. কুরআন খতম করা। এজন্য প্রত্যেক নামাজের পর ৪,৮ পৃষ্ঠা অথবা ১২ পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করা যেতে পারে।
৬. সামর্থ্য অনুযায়ী দান সদকা করা।
৭. বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া।

৮. রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা।
৯. কুরআন শরীফ দাওর করা। অর্থাৎ একে অপরকে শুনানো।
১০. সাহরি খাওয়া।

১১. নিজে ইফতার করা এবং অন্যকে ইফতার করানো। ১২. তারাবীর নামাজ পড়া। ১৩. জাকাত-ফিতরা ওয়াজিব হলে আদায় করে দেয়া। এছাড়া অন্যান্য নফল ইবাদাতগুলো বেশি বেশি করা।

আওয়ার ইসলাম : রমজান এলে সমাজের যুবক, বৃদ্ধ ও শিশুরা সবাইমিলে মসজিদমুখী হয়। রমজান গেলে তাদের এ স্রোত থেমে যায় কেনো? রমজানের বাইরেও তাদের মসজিদে ধরে রাখার জন্য করণীয় কী?
মুফতী ইকরাম হুসাইন : রমজানে মুসল্লিদের আগমনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে নিচের কর্মসূচি গুলো হাতে নেয়া যেতে পারে।

১. জরুরী মাসআলা মাসায়েল শিক্ষা দেয়ার জন্য বিশেষ দরসের ব্যবস্থা করা।
২. মসজিদ ভিত্তিক পাঠাগার গড়ে তোলা ও দীনি কিতাব সরবারহ করা।
৩. মুসুল্লিদের বয়স অনুযায়ী দীনি বিষয়ে প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা ও পুরুস্কার প্রদান করা।

৪. মওসুম ভিত্তিক দীনি বয়ান সম্বলিত লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ করা।
৫. মহিলাদের জন্য বয়ানের ব্যবস্থা করা। মহিলাদের সাথে খাস এমন মাসআলা পুরুষের মাধ্যমে তাদের কাছে পৌছে দেয়া।
৬. ছোট বাচ্চাদের জন্য কুরআন শরীফ ও অন্যান্য মৌলিক শিক্ষা প্রদান করা।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ