সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ২৭ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৩ রজব ১৪৪৭


‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করুন। আপনারা যদি চান তাহলে দুইবারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে।

আপনারা কি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চান? চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ চান? বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা যথাযথভাবে লেখাপড়া ভালো চাকরি পাক সেটা চান? স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন হোক সেটা চান? তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকবেন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার বড় শালঘর ইউনিয়নের সৈয়দপুর বাজারে আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রা এবং গনসংযোগে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমাদেরকে আগে দুর্নীতিটা বন্ধ করতে হবে। যেমন ধরেন একটা বড় ট্যাঙ্কি, যার মধ্যে অনেকগুলো ফুটা আছে, যতই পানি দেন কোনো লাভ হবে? হবে না। আর এই ছিদ্রগুলোই হচ্ছে দুর্নীতি। আমরা দুর্নীতিকে যদি বন্ধ করতে পারি, কোনো না কোনো সময় পানি আসবেই কারণ ঋতু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি, বর্ষা প্রত্যেক বছরই আসে। কিন্তু ট্যাংকিতে পানি থাকে না মূলত দুর্নীতির কারণে।

আমার এই নির্বাচন হবে দুর্নীতি বন্ধ করার নির্বাচন। এবারের নির্বাচন হবে চাঁদাবাজমুক্ত হওয়ার নির্বাচন। এবারের নির্বাচন হবে ঋণখেলাপিদের সংসদের বাইরে পাঠানোর নির্বাচন। এই নির্বাচনে আপনাদের যেটা করা লাগবে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের আপনারা যারা আছেন, আন্টিরা যারা আছেন সবাই মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ সময় এনসিপির প্রতীক শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কোনো গুন্ডা-পান্ডা নাই, আমাদের পক্ষ থেকে কেউ কি ফোন দিয়ে আপনাদের কখনো ভয়ভীতি দেখাইছে? না (সাধারণ জনগণ)। প্রোগ্রামে আসতে হবে, না আসলে বাসা থেকে উঠায় নিয়ে আসবে এমন কিছু কেউ কি বলছে? না (সামনে থাকা সাধারণ জনগণ)। আমরা এসব পথে হাঁটব না। আমরা ভালোবাসা দিয়ে আপনাদের কাছে আসব।

প্রয়োজনে পায়ে ধরে ভিক্ষা চাইব। বলবো যে, ভাই আপনি আমাদেরকে একটু সহায়তা করেন। চুরি করার চাইতে, দুর্নীতি করার চাইতে, রাস্তার মাটি খাওয়ার চাইতে, ইট খাওয়ার চাইতে, ভোট ভিক্ষা করাটা বেশি সম্মানের। একটু আগে একটা মহিলা আমাকে আট হাজার টাকা দিছে। প্রত্যেক দিনই কেউ না কেউ টাকা দিচ্ছে। টাকা দিতেছে, খাবার দিতেছে, ভালোবাসা দিচ্ছে, বাড়ির দুধ নিয়ে আসতাছে, সবজি দিতেছে, কত কিছু দিচ্ছে। কারণ, ওনারা মনে করেছে এই ছেলেটা সৎ।

আমরা লুকাই নাই। আমরা প্রকাশ করছি যে আমাদের হচ্ছে এটা, যে এতটুকু পারবো এতটুকু পারবো না। যদি আপনারা মনে করেন এই ছেলেটা আমার ঘরের, এই ছেলেটাকে দিয়ে সম্ভব তাইলে আপনারা আমাদের জন্য কাজ কইরেন।

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ