রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬ ।। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২১ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না: ইরান ৩০টি নোটিশ দিয়েছি, কোনটার ওপর বলব জানি না: সংসদে আমির হামজা বিদ্যুৎ ও তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নয়, দুর্নীতি বন্ধ করুন: বিকেএম মমতার কেন এই বিপর্যয়, বিজেপির কেন এই উত্থান? এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম পার্টি পলাশবাড়ীর ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে জনমনের উদ্বেগ দূর করুন: হেফাজত নতুন চেয়ারম্যান পেল মাদরাসা বোর্ড এমপিও দাবিতে অবস্থানরত শিক্ষকদের মাঝে ছাত্র জমিয়তের পানি-স্যালাইন বিতরণ মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

আমের অস্তিত্ব ছাড়াই আমের জুস, ২৫ টাকার প্যাক ৮০ টাকা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘আমের জুসে’ আমের দেখা নেই, আছে ১৫ ধরনের ক্যামিকেল ও রং। তারপরেও প্রতি লিটার ‘জুস’ তৈরিতে মাত্র ২৫ টাকা খরচ হলেও বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ টাকা।

পবিত্র রমজান মাসকে টার্গেট করে এমন একটি আমের নকল জুস তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল উত্তরপাড়ায়।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ‘সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজ কেমিক্যাল ইন্ড্রাষ্ট্রিজ’ নামের ওই কারখানায় যৌথ অভিযান চালায় র‌্যাব-১১ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির চারজনকে দেয়া হয় সাত দিনের কারাদণ্ড।

সাদিয়া ফুডের ম্যানেজার নাজমুল আলম (৩৫), কেমিস্ট রাজন হোসেন শিকদার (২২), মো. বিল্লাল হোসেন (২৭) ও এনায়েত হোসেন (৩৪)।

র‌্যাব জানিয়েছে, অধিক লাভের নেশায় তৈরি করা প্রায় ২০ লাখ টাকার ভেজাল জুস ধ্বংস করা হয়। এ সব জুস প্রতি লিটার ডিলারের কাছে ৪০ টাকায় এবং ডিলাররা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে ৬০ টাকায় বিক্রি করাতো। আর সাধারণ ক্রেতা পর্যায়ে এসে এর দাম হয়ে যেতো ৮০ টাকা।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এ সব নকল জুস তৈরিতে কোনো প্রকার ফল বা ফলের নির্যাস ছাড়াই ১৫ ধরনের ক্যামিকেল ও রং ব্যবহার করা হতো। ছিল না কোনো পরীক্ষাগারও।

অভিযান শেষে র‌্যাব-১১’র সিপিএসসি’র কোম্পানী কমান্ডার মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব বলেন, ‘এ সব নকল জুস তৈরিতে সোডিয়াম বেনজয়েডের মতো ক্ষতিকারক ক্যামিকেল ব্যবহার করা হতো।

যা এক সময় মানবদেহের যকৃতকে বিকল করে দেয়। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি এ সব নকল জুস বাজারজাত করে আসছিল।’

তিনি জানান, সাদিয়া ফুড এন্ড বেভারেজের মালিক মোঃ আলমগীর হোসেনকে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ