মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসা শিক্ষার কারিকুলাম যুগোপযোগী ও কর্মসংস্থানমুখী করার উদ্যোগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ছেলেদের জন্যও উপবৃত্তির ভাবনা সরকারের বাইতুল মোকাররম প্রতিষ্ঠায় শামসুল হক ফরিদপুরীর অনন্য অবদান হেরা গুহার নিঃসঙ্গ ভাবনা বুলবুল হত্যা: সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ওসির সঙ্গে ইসলামী যুব আন্দোলনের সাক্ষাৎ দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি ঢাকা মেডিকেল এলাকার আশপাশ যেন গাঁজাখোর জোন: কে এম শরীয়তুল্লাহ জামেয়া দ্বীনিয়া দারুল আবরার মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা হেলাল উদ্দিন আফতাবি-র ইন্তেকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমীরে মজলিসের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ২৩২

‘বিখ্যাত আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে রূপান্তরিত করা হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: তুরস্কের বিখ্যাত আয়া সোফিয়া জাদুঘর (যা পূর্বে মসজিদই ছিলো) শিগগির মসজিদে রূপান্তরিত করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান।

সম্প্রতি তুরস্কের প্রাচীন নগরী ইস্তাম্বুলে দেয়া এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, আসন্ন ৩১ মার্চে অনুষ্ঠেয় স্থানীয় নির্বাচনের পরেই আমরা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবো।

কিছুদিন আগে তুরস্কের একটি টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাতকার প্রদানকালে এরদোগান জানিয়েছিলেন, “অতি শীঘ্রই আয়া সোফিয়ায় প্রবেশ বিনামূল্যে করা হবে” কিন্তু কেউ তখন তার এ কথার রহস্য বুঝতে পারেনি।

তবে সাম্প্রতিক দেয়া এই বক্তৃতায় সব রহস্যের উন্মোচন হয়ে গেলো, বিনামূল্য দ্বারা তিনি জাদুঘরকে মমসজিদে রূপান্তরের কথাই বোঝাতে চেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, উসমানী খেলাফতের পতনের আগ পর্যন্ত আয়া সোফিয়া ছিল বিশ্বের অন্যতম সেরা মসজিদের একটি এবং তুরস্কের সবচে বড় মসজিদ। ১৪৫৩ সালে উসমানীয় খলীফা দ্বিতীয় মুহাম্মাদ কনস্টান্টিনোপেল জয় করার পর এটিকে মসজিদে রুপান্তর করেন।

কিন্তু ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে পরিচিত কামাল আতার্তুক ক্ষমতা দখলের পর ১৯৩৫ সালে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের নামে মসজিদটিকে জাদুঘর বানিয়ে ফেলে।

বর্তমান এরদোগান সরকারের আমলে সেটিকে ফের মসজিদের রূপে ফিরিয়ে আনা নিয়ে আগে থেকেই আলোচনা চলছিলো। এরদোগান অনেক আগেই এটিকে ধীরে ধীরে মসজিদে রূপান্তর করার কাজে হাত দিয়েছিলেন।

দীর্ঘ ৮৫ বছরের মধ্যে ২০১৫ সালেই প্রথমবারের মতো একজন আলেম আয়া সোফিয়াতে কোরআন পাঠ করেন। এর পর থেকে তুরস্কের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর রমজানে সেখানে কুরআন পাঠ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ