বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

কথা দিয়ে কথা না রাখার কী শাস্তি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসমাঈল আযহার: মিথ্যা কথা বা কথা দিয়ে কথা না রাখা আমাদের সমাজে আজকাল অহরহ। অনেকেই একে গুনাহ মনে করেন না। দেদারছে আওড়ে যান মিথ্যা বুলি। দেন প্রতিশ্রুতি। কিন্তু কুরআন হাদিসে মিথ্যা কথা বা কথা দিয়ে কথা না রাখার জন্য শোনানো হয়েছে কঠিন শান্তির বাণী।

মিথ্যাবাদীদের হুশিয়ার করে দিয়ে কুরআনে কারীমে ইরশাদ হচ্ছে, ‘হে ইমানদাররা! আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সহযোগী হও।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১১৯)

আর যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না তাদের ব্যাপারে কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘এবং তোমরা ওয়াদা পালন করবে। ওয়াদা সম্পর্কে তোমাদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে’। [১৭ : ৩৪]

রাসুল সা. বলেন, এ বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ওয়াদা রক্ষা করে না; দীন ইসলামে তার কোনো অংশ নেই। প্রিয় মুলসমান ভাই ও বোনেরা মোনাফেকের আলামতের মধ্যে একটি হল কথা দিয়ে না রাখা। অতএব আমাদের মধ্যে মোনাফের আলামত খুবই দুঃখজনক।

আল্লাহ না করুন এই জন্য হয়ত কিয়ামতের দিন আমাদের মোনাফেকদের কাতারে দাঁড়াতে হতে পারে। এই জন্য আসুন আমরা ওয়াদা রক্ষা করি।

একবার ভেবে দেখুন তো কেউ আপনাকে কথা দিয়ে যদি না রাখে আপনার কেমন লাগবে। আপনি যার কথা রাখেননি তার ওতো তেমন খারাপ লাগছে। আর কথা দিয়ে পালন না করলে আমাদের নানান ধরণের সমস্যায় পড়তে হয়।

অতএব আমরা কাউকে কথা দিলে সেটা পালন করবো। আর যদি সেটা পারি তাহলে আগেই তাকে জানিয়ে দিবো।

আসুন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি, রাজি, খুশি, নৈকট্য অর্জনে আমরা ওয়াদা বা প্রতিশ্র“তি যথাযথ পালনে সচেষ্ট হই।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ