শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৭ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ঢাকার আরও দুই এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ মক্কার দিকে ড্রোন হামলার প্রচেষ্টার নিন্দা, প্রতিবাদ মিছিলের ঘোষণা ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে নিরাপত্তাহীনতায় রাজধানীবাসী’ সব জেলা পরিষদকে জরুরি নির্দেশনা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টেও হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে কুরআন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ তাহাফফুজে খতমে নবুওয়াতের হারামাইনের নিরাপত্তায় প্রতিটি পাকিস্তানি সৌদির পাশে: মাওলানা ফজলুর রহমান চট্টগ্রামে ইসলামী আন্দোলনের বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘ছাত্র সংগঠনের ৯০ শতাংশ কাজ হবে পড়ার টেবিলে, মাঠে থাকবে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ' হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

মসজিদে হামলাকারী কে এই সন্ত্রাসী? কেন এ হামলা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরের ‘আল নূর' মসজিদে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুই সন্ত্রাসী৷ পুলিশসূত্রে জানা গেছে, হামলাকারী সন্ত্রাসীরা মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাবাপন্ন৷

হামলাকারী দুই সন্ত্রসীর একজন ২৮ বছরের অস্ট্রেলিয়ান যুবক। যে দেশের অভিবাসীও মুসলিমদের প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন সেটা ধরা পড়েছে ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া একটি ইশতাহার থেকে৷ ৭৪ পৃষ্ঠা দীর্ঘ এই ইশতাহারে বারবার সে শ্বেতবর্ণ মানুষদের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলেছে৷

শুধু তাই নয়, কেন ইসলামপন্থি মানুষদের সাথে পশ্চিমা চিন্তার বিরোধ, তাও সে বোঝাতে চেয়েছে সেখানে৷

স্থানীয় পুলিশ যদিও যুবকের পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি৷ তবে ‘ব্রেন্টন টারান্ট' নামে সামাজিক মাধ্যমে সে আগেও নানা বিদ্বেষী বক্তব্য ছড়িয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ সেই ব্যক্তির প্রোফাইল থেকেই গোটা হামলার ঘটনাটি অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়৷

সেই ভিডিওতেই তাকে দেখা যায় ভয়াবহ এই ঘটনাকে ‘পার্টি'-র সাথে তুলনা করতে!

কেন এই হামলা?

সাধারণ পরিবারে বেড়ে ওঠা ওই যুবকের ভেতর আগে থেকেই ছিল বর্ণবাদ, অন্ধত্ব৷

নিজের ভেতরে এই বাড়তে থাকা বিদ্বেষের সাথে সাথে এমন হামলার কারণ হিসাবে ইশতাহারে সে দিয়েছে ইউরোপের উদাহরণ৷

ফ্রান্সে বেড়াতে এসে আশেপাশে বহু অভিবাসী মানুষদের দেখে হামলাকারী সন্ত্রাসী ওই যুবক আস্তে আস্তে এই হামলার জন্য নিজেকে তৈরি করে৷ ৩ মাস আগেই টার্গেট হিসাবে ঠিক করে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ৷

হামলাকারী সন্ত্রাসী যুবকের খাতা-কলমে কোনো চরমপন্থি সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার খবর এখনও পাওয়া মেলেনি৷

কিন্তু তার ইশতাহার ও বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে তার লেখার প্রতিক্রিয়া থেকে পুলিশ ধারণা করছে যে একাধিক বর্ণবাদী, ইহুদিবিদ্বেষী ও ইসলামবিদ্বেষী ব্যক্তিদের দ্বারা সে অনুপ্রাণিত হয়েছিল৷

সূত্র: ডয়েচে ভেলে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ