বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’ নেত্রকোণা জেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন সিঙ্গাপুর থেকে ১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকায় ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার দাবি না মানলে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তাপ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনে মোদিকে আমন্ত্রণ জানাল ইরান ইসলামী ব্যাংকের এমডি নিয়োগে মনোনয়ন চূড়ান্ত: অর্থমন্ত্রী দেশ চলে ভালোবাসা ও সম্প্রীতিতে, ঘৃণায় নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম, ২ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্নে আরজাবাদে ছাত্র জমিয়তের নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত শায়খে চরমোনাইর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না হলে দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক

২২০ বছর পর মিললো টিপু সুলতানের বন্দুক-তলোয়ার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ১৭৯৮-৯৯ সালে হয়েছিল মহীশূরের চতুর্থ যুদ্ধ। পার হয়ে গেছে সোয়া দুইশ বছর। এতদিন পর পাওয়া গেল টিপু সুলতানের বন্দুক ও তলোয়ার।

মহীশূরের চতুর্থ যুদ্ধে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন টিপু সুলতান। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হয়ে সেই যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন মেজর থমাস হার্ট। সম্প্রতি থমাস হার্টের উত্তরসূরিরা চিলেকোঠার ঘর পরিষ্কার করার সময়ে ধুলো ভর্তি খবর কাগজের ভেতর এসব অস্ত্রের সন্ধান পান।

জানা যায়, পুরনো খবরের কাগজের মধ্যে লুকানো ছিল বাঘছাপওয়ালা বন্দুক ও স্বর্ণ-খচিত তলোয়ার। বাড়ির ছাদ থেকে হঠাৎ এই জিনিস পেয়ে হকচকিয়ে যায় ওই ব্রিটিশ পরিবার।

জানা গেছে, ওই বন্দুকটি টিপু সুলতানের। আর ওই তলোয়ার টিপু সুলতানের বাবা হায়দার আলির। চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে পরাজয়ের পর থমাস হার্ট ওই জিনিসগুলি প্রাসাদ থেকে নিয়ে চলে গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে। তারপর সেগুলিকে রেখে দিয়েছিলেন নিজের বাড়িতে। ২২০ বছর পর সেগুলি খুঁজে পেলেন থমাসের উত্তরসূরিরা।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের শেষের দিকে নিলামে তোলা হবে টিপু সুলতানের ওই বন্দুক ও তলোয়ার। অ্যাটর্নি ক্রিব লিমিটেড নামের এক নিলাম সংস্থার কর্ণধার বলেছেন, এটি একটি অভাবনীয় আবিষ্কার। ২২০ বছর ধরে এই প্রত্নত্বাত্তিক সামগ্রীগুলো অবহেলায় পড়েছিল।

টিপু সুলতান (জন্ম: ২০ নভেম্বর, ১৭৫০ - মৃত্যু: ৪ মে, ১৭৯৯) ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা। তিনি একজন বীর যোদ্ধা ছিলেন। ইংরেজদের বিরুদ্ধে তিনি বীরত্ব সহকারে যুদ্ধ করেন। তিনি তাঁর শৌর্যবীর্যের কারণে শের-ই-মহীশূর (মহীশূরের বাঘ) নামে পরিচিত ছিলেন। ভারতের স্বাধীনতামাকীতার জন্য ভারতের বীরপুত্র বলা হয়।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ