রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৯ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর ন্যস্ত: মির্জা ফখরুল গতানুগতিক শিক্ষার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘বছরের শেষের দিকে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার আলো দেখতে পাবো’  ক্ষুধা-তৃষ্ণায় বিপন্ন গাজার লাখো মানুষ নিখোঁজের দুই দিন পর ব্রহ্মপুত্র থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার কওমীপিডিয়ার তালিকায় দেশের শীর্ষ ৫ প্রভাবশালী আলেম আওয়ার ইসলামে শুরু হচ্ছে নিয়মিত আয়োজন ‘পেপসা নিবেদিত তারুণ্যের ভাবনা’ কলমাকান্দায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের শূরা অধিবেশনে ৯ দফা প্রস্তাব গৃহীত জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় কবি আল মাহমুদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ায় ইসলাম:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইলে পারিবারিক কবরস্থানে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদকে দাফন করা হয়েছে।

আজ রোববার দুপরে তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে বেলা তিনটার কিছু আগে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বেলা ১১ টায় সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কবির লাশ রাখা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে।

বাদ জোহর বিদ্যালয় মাঠেই তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর দক্ষিণ মৌড়াইল কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।

গত শুক্রবার রাত এগারোটায় ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি আল মাহমুদ। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পর দিন শনিবার দুপুরে কবির লাশ তার সাবেক কর্মস্থল বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নেয়া হয় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। সেখানে একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী কবির ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এর পর লাশ নেয়া হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আল মাহমুদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাতে আল মাহমুদের লাশ ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দক্ষিণ মৌড়াইল মোল্লাবাড়িতে নেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় আল মাহমুদের লাশ কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

কবি আল মাহমুদের পুরো নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মৌড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদা আবদুল ওহাব মোল্লা হবিগঞ্জ জেলায় জমিদার ছিলেন।

আল মাহমুদ শুধু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নন, তিনি একাধারে ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ