আবদুল্লাহ তামিম: সৌদি আরবের বিখ্যাত আলেম, মুফতি শেখ সালমান আওদাকে মৃত্যুদণ্ডের সম্ভাবনা রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তার আইনজীবী। এক বিবৃতিতে এ প্রখ্যাত আলেমের মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
মুফতি শেখ সালমান আওদার আইনজীবী প্যারিস থেকে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, স্বাধিনভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করার জন্য সৌদি আরবের মুফতি শেখ সালমান আওদাকে বিচারের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
মুফতি আওদার আইনজীবী ফ্রাঙ্কোসি জিমেরা বলেন, দোহা ও রিয়াদের মধ্যে বিতর্কের অবসান ঘটানোর জন্য সালমান আওদা ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি টুইট করেন। এ টুইটেই তার কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ টুইটের কারণেই আজ তার জীবন হুমকির মুখে।এমনকি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে তার।
উল্লেখ্য, সালমান আওদাকে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে সৌদি আরবের বরিদ শহরে তার নিজ বাসগৃহ থেকে সেদেশর কর্তৃপক্ষ তাকে গ্রেফতার করে জেদ্দায় নিয়ে যায়।
সৌদি কর্তৃপক্ষ তার সাথে আরও ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে। শেখ সালমান আওদার গ্রেফতারের মুল কারণ হচ্ছে একটি টুইট বার্তা। তিনি টুইট বার্তা লিখেছিলেন, ‘ইনশাল্লাহ, আল্লাহ পাক আরবদের অন্তরকে নিকটবর্তী করুক। কারণ সব মানুষের ভালো এর মধ্যে রয়েছে।
কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আলী সানি ও সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে টেলিফোন যোগাযোগের পর সৌদি মুফতি শেইখ সালমান আওদার এ টুইট বার্তা লেখেন বলে জানা যায়। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
-এটি