বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ব্যতীত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়’ বর্তমান সমাজে বিয়েকে ক্রমেই কঠিন করে তোলা হচ্ছে কালভার্ট নির্মাণকালে মাটিচাপা পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু আগস্টের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ড্রেস ও জুতা বিতরণ শুরু করবে সরকার: ববি হাজ্জাজ আগামী ৭ জুন রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ পুলিশ কর্মকর্তা হজ-পরবর্তী জীবনে পরিবর্তন না এলে হজের শিক্ষা অপূর্ণ: শায়খ আহমাদুল্লাহ ‘সীমান্ত নিরাপত্তা ও মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়’ ৩ জেলায় প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার

ইন্তেকালের পর মৃতকে দ্রুত দাফন করবেন না দেরিতে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসমাঈল আযহার: আমাদের সমাজে লাশ বা মৃতব্যক্তির ব্যাপারে একটা কথা অনেকেই বলেন, নবী স. এর দাফন কাজে দুদিন বিলম্ব হয়েছিল, অতএব দাফন কাজে বিলম্ব করা অবকাশ আছে। অনেকে মনে করেন, বিলম্ব করাই সুন্নাত।

আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ স. সমস্ত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসতেন রাসুল স. কে। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম যে অবস্থার সম্মুখিন হয়েছিলেন তা সবার কাছে সুস্পষ্ট।

রাসুল স. নির্দেশ অনুযায়ী হযরত আয়শা রা. সংকীর্ণ ঘরের ভেতরে গোসল, কাফন, জানাযা সবকিছুই করতে হয়েছে। এই সংকীর্ণ স্থানে অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম, মুমিন, মসলমানের জানাযা আদায়ের বিষটি অত্যন্ত বিবেচনার বিষয়। দু’তিন জনের বেশি জানাযা আদায়ের কোনো সুযোগই ছিল না সেই ঘরে। তাই রাসুল স. শ্রেষ্ঠ মার্যাদা এবং পরবর্তী সমস্যাগুলো বিবেচনার পর এমন কথা বলা ধৃষ্টতার অন্তর্ভূক্ত।

বহু হাদিসে এমন রয়েছে যেখানে রাসুল স, তাড়াতাড়ি মৃতকে দাফন করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব সুস্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে ইন্তেকালের পর একটি বিষেয় প্রয়োজনের মুহূর্তের ঘটনাকে মাধ্যম করে মৃতকে দাফন কাফনে বিলম্ব করার এ উক্তি অর্থহীন এবং নিতান্তই দুঃখজনক।

সূত্র: দাফন কাফনের মাসলা মাসায়েল।

আইএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ