শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬ ।। ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া ‘সবার সহায়তায় সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে পারবে’ স্বপ্ন দেখে ধর্মীয় সিদ্ধান্ত নয়, কাবার ইমামের সতর্কবার্তা আকিদায়ে খতমে নবুওয়ত প্রতিটি মুসলমানের ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: ধর্মমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছর কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী আমিই: আমির হামজা সাংবাদিককে লাঞ্ছনার অভিযোগে ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আলেমদের অবদান তুলে ধরলেন মাওলানা আরশাদ মাদানী ফরিদপুরে ইসলামী আন্দোলনের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফের বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে উৎপাদন চালু   বরগুনায় ডোবায় পড়ে ৩ বছরের শিশুর মৃত্যু

ইভটিজিং থেকে বাঁচার কুরআনি কৌশল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ
লেখক ও সাংবাদিক

আল্লাহ তা’আলা নারীদেরকে উত্যক্তকারীদের হাত থেকে রেহাই পেতে পর্দার বিধান মেনে চলতে বলেছেন। পবিত্র কুরআনে নিম্নের এ আয়াতে বখাটেদের উত্ত্যক্তকরণ থেকে রেহাই পেতে নারীদের সরাসরি কৌশল বলে দেয়া হয়েছে।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন- “হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের ওপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে (সম্ভ্রান্ত বলে) চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।” (সূরা আহযাব, আয়াত: ৫৯)

পর্দার ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলা যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা যদি নর-নারীরা পালন করেন, তাহলে খারাপ কোনো চিত্র রাস্তা-ঘাটে দৃশ্যমান হবে না।

আল্লাহ তা’আলা বলেন, “মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের ওড়না মাথা ও বক্ষদেশে ফেলে রাখে।” (সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩০-৩১)

আল্লাহ তা’আলা নারীদেরকে পর্দাহীন চলাফেরা করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন- “তোমরা তোমাদের গৃহে অবস্থান কর এবং অজ্ঞতার যুগের নারীদের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করে ঘোরাফেরা করো না।” (সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩)

হিজাব নারীকে হেফাযত করে, রক্ষা করে তার ইজ্জত-অবরুকে। বাংলাদেশের যে নারীরা বাহিরে ‘শরীয়তসম্মত হিজাব’ পরে চলেন, পর্দার ব্যপারে আল্লাহর হুকুম মানেন, তারা ইভটিজিং, এসিড সন্ত্রাস এবং ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এ খবর সাধারণত পাওয়া যায় না।

কোনো ফলের খোসা ছিড়ে খোলা জায়গায় রেখে দিলে তা মাছি ও জীবাণু থেকে যেমন রক্ষা করা যায় না, তেমনি পর্দাবিহীন কোনো নারী রাস্তায় নিরাপদ নয়।

শয়তান ও দুষ্টলোকের কুদৃষ্টি তার দিকে পড়বেই। তাই নারীকে বাঁচাতে, ইভটিজিং থেকে রক্ষা করতে নারীকেই আল্লাহর নির্দেশ মেনে পর্দা করে চলতে হবে- এর কোনো বিকল্প নেই।

পুরুষকেও আল্লাহর বিধান মতো দৃষ্টিকে নিচু ও সংযত করতে হবে। এক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান জীবনে ধারণ করা ব্যতীত অন্য কোন আন্দোলন, প্রচার-প্রচারণা বা রাষ্ট্রীয় আইন বাস্তবক্ষেত্রে তেমন কোন কার্যকর প্রমাণিত হবে না।

রাব্বুল আলামিন আমাদের বোঝার ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: সহ-সম্পাদক, পরিবর্তন ডটকম।

আরও পড়ুন: ইসলামি সমাজব্যবস্থার না থাকায় নারীরা নির্যাতিত: মুফতি ফয়জুল করীম

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ