বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬ ।। ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ১৮ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ লেবাননে ফের হামলা ইসরায়েলের যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে শত্রুরা অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টি করতে চাইছে: মোজতবা খামেনি ঈদে সারাদেশের পশু কোরবানির সংখ্যা জানালেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কোরবানির পর অবিক্রিত প্রায় ৩০ লাখ পশু সীমান্তে বিএসএফের অবৈধভাবে ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই খুলে দেওয়া হবে হরমুজ: ট্রাম্প রামিসা ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় রোববার তীব্র গরমের কারণ জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করল জাতীয়তাবাদী যুবদল

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ ও ওমরা করা কি জায়েয?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ বা ওমরা আদায় করা জায়েয। অনুরূপভাবে তওয়াফ এবং যাবতীয় নেক আমল তার পক্ষ থেকে আদায় করা জায়েয। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ. বলেন, যে কোন নেক কাজ সম্পাদন করে যদি তার ছওয়াব জীবিত বা মৃতের জন্য দান করে দেয়, তবে সে উপকৃত হবে।

কিন্তু ছওয়াব দান করার চাইতে মৃতের জন্য দু’আ করা বেশী উত্তম। দলীল হচ্ছে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর বাণীঃ তিনি বলেন, “মানুষ মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ছাড়া তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়।

১) সাদকায়ে জারিয়া
২) উপকারী ইসলামী বিদ্যা
৩) সৎ সন্তান, যে তার জন্য দু’আ করবে।”

এই হাদিসে নবীজি সা. এরূপ বলেন নি যে সৎ সন্তান, যে তার জন্য ইবাদত করবে বা কুরআন পড়বে বা নামায পড়বে বা ওমরা করবে বা রোযা রাখবে ইত্যাদি। অথচ হাদীছটিতে প্রথমে দু’টি আমলের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে।

যদি মৃতের জন্য আমল করা উদ্দেশ্য হত, তবে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবশ্যই বলতেন, “এবং নেক সন্তান, যে তার জন্য আমল করবে।”

কিন্তু মানুষ যদি কোন নেক আমল করে তার সওয়াব কারো জন্য দান করে দেয়, তবে তা জায়েয।

আরও পড়ুন : কেরসিন তেল কি নাপাক?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ