শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও পাহাড় ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মৃত্যুঝুঁকি থাকলেও পাহাড় ছাড়তে নারাজ পাহাড়ের বাসিন্দারা।

অনেকটা জোর করেই তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠাচ্ছে প্রশাসন। পাহাড়ে বসবাসকারীদের দাবি, আশ্রয়কেন্দ্র নয়, স্থায়ী পুনর্বাসন করতে হবে তাদের।

জেলা প্রশাসনের হিসেবে, বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে ২ হাজারেরও বেশি মানুষ, যা বাস্তবে ৫ হাজারেরও বেশি বলে দাবি স্থানীয়দের।

রাঙামাটিতে এ সংখ্যা ১৫ হাজারেরও বেশি। খাগড়াছড়িতে প্রায় ৫ হাজার। প্রতিবছরই ভারী বৃষ্টি হলে পাহাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেয় প্রশাসন।

কখনো কখনো অভিযান চালিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয় অনেককে। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেই আবার ফিরে যায় পাহাড়ে।

স্থায়ী পুনর্বাসনের দাবি উঠলেও, প্রশাসন বলছে বাসযোগ্য জমি না পাওয়ায় পুনর্বাসন সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে শুধু সচেতন করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে কার্যক্রম। তবে এবছর আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

পাহাড় ধসে চলতি বছর এ পর্যন্ত বান্দরবানে মারা গেছেন আট জন আর রাঙামাটিতে ১১ জন। গত বছর ১৩ জুন রাঙামাটিতে মারা যায় ১শ ২০ জন।

দাওরায়ে হাদিসের (মাস্টার্স) ফলাফল প্রকাশ আজ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ