বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

‘অভিযুক্তদের বিচার করতে না পারলে আমাদের গুলি করে মারুন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের কাঠুয়ার ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার আসিফা বানুর মা বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন।

একটি ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তার মেয়ে যদি বিচার না পায় তাহলে তাদের চারজনকে যেন গুলি করে মেরে ফেলা হয়। ‌কারণ অভিযুক্তরা ছাড়া পেলে তাদের বাঁচতে দেবে না। সবার আগে তাদের খুন করবে।

তাদের হাতে মরার থেকে পুলিশের গুলি খেয়ে মরাকে অনেক বেশি সম্মানের বলে মনে করেন তারা।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগঠে কাঠুয়ার নির্যাতিতার পরিবার।

সেকারণেই নির্যাতিতার বাবা মামলাটি জম্মুর বাইরে কোনও আদালতে নিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়েছিল শীর্ষ আদালতে। কারণ কাঠুয়ায় তাদের আইনজীবীকে মামলা লড়তে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী চার্জশিটও জমা দিতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছিলেন।

আসিফা বানু ধর্ষণ-হত্যা; কাশ্মিরিরা কি এভাবেই পঁচে মরবে?

নির্যাতিতার মা অভিযোগ করেছেন মামলাটি যাতে সিবিআইয়ের হাতে যায় সেজন্য তাদের উপর চাপ তৈরি করছে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারা। কিন্তু তারা চাইছেন রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দারাই মামলাটির তদন্ত করুক। অভিযুক্তদের বাঁচানোর জন্যই সিবিআই তদন্তে করার চাপ তৈরি করা হচ্ছে।

নির্যাতিতার মা আরও অভিযোগ করেছেন, তাদের মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানানোর পরেও উদ্যোগী হয়নি পুলিশ। সাতদিন পর খোঁজাখুঁজি শুরু করে। প্রথম থেকে উদ্যোগী হলে হয়ত তাদের মেয়ে বেঁচে থাকত।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি কাশ্মিরের কাঠুয়া শহরের কাছে মুসলমান যাযাবর সম্প্রদায়ের আসিফা বানু নিখোঁজ হয়। এর সাত দিন পর কাছের একটি জঙ্গলে তার মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়। তদন্তে জানা যায়, একদল হিন্দু তাকে গুম করে একটি মন্দিরে তিনদিন রেখে ধর্ষণের পর হত্যা করে।

সূত্র: আজকাল, ইন্ডিয়া

-আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ