বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

ভারতে আলেমের দাড়ি টেনে মারধর; জওয়ান সাসপেন্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ওমর ফাইয়ায: ভারতের বিহারের কৃষ্ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে এক আরপিএফ জওয়ান এক আলেমের সাথে অত্যন্ত জঘন্য বেয়াদবির ঘটনা ঘটিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে বিবলু দাস নামের এক মাতাল আরপিএফ জওয়ান মাওলানা তাবরিয আলমের দাড়ি টেনে ধরে এবং তাকে মারধরও করে। এই সময় সে বলে রেলওয়ে স্টেশন মুসলমানের বাপের সম্পদ না, এখান থেকে পালা, না হলে তোকে খুন করবো।

মাওলানা তাবরিজ একজন বয়োবৃদ্ধ অক্ষম ব্যক্তি। বিবলু দাসকে তিনি অনেকভাবে বোঝাতে চেষ্টা করেন কিন্তু সে মাওলানা সাহেবকে মারধরও করে।

জওয়ানের বাড়াবাড়ি দেখে স্টেশনে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই আরপিএফ জওয়ানকে গণপিটুনি দেয় এবং তাকে রেলওয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তারা বিবলু দাসের বাড়াবাড়ি সম্পর্কে অভিযোগ দায়ের করে এবং পুরো ঘটনা বিস্তারিতভাবে রেলওয়ে কতৃপক্ষকে জানায়।

তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে বিবলু দাসকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যহতি দিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।

এ ব্যাপারে মাওলানা তাবরিজ আলম আরপিএফ জওয়ান বিবলু দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তাবরিজ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, বিবলু দাস ঘুমন্ত সবাইকে উঠিয়ে দেয় কিছুক্ষণ পর এসে আমাকে গালি দিয়ে বলে ওখান থেকে চলে যেতে। বলতে বলতে সে আমার দাড়ি টেনে ধরে।

তিনি বলেন, তার মুখ থেকে মদের দুর্গন্ধ আসছিলো। আমি তাকে সব রকমভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলাম আমি একজন সাধারণ যাত্রী সে যেনো আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি তার সামনে হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনাও করছিলাম। কিন্তু সে আমার ওপর হাত ওঠায়। তখন ওখানাকার মানুষজন বিবলু দাসকে পেটানো শুরু করে।

এতো কিছু হওয়ার পরও মাওলানা তাবরিজ মানুষকে নিষেধ করে ওই জওয়ানকে মারতে। তখন লোকেরা তাকে রেলওয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

কৃষ্ণগঞ্জের সংসদ সদস্য মাওলানা আসরারুল হক কাসেমী এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, কৃষ্ণগঞ্জ পুলিশের উচিত রেলওয়ের ওপর নজর রাখা। তিনি অভিযুক্ত জওয়ানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রোজনামা খবরেঁ ওমর ফাইয়ায এর অনুবাদ

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ